Advertisement
E-Paper

প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে লেখা হয়েছে ‘ধুরন্ধর’-এর চিত্রনাট্য? বিতর্কে মুখ খুললেন রাকেশ বেদী

প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে নাকি এসেছিল ‘ধুরন্ধর’-এর চিত্রনাট্য। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন রাকেশ বেদী। তাঁকে এই ছবিতে জামিল জামালির চরিত্রে দেখা গিয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৬:৩৭
Rakesh Bedi reacted to the claims that the film’s script was written by PMO

‘ধুরন্ধর’- নিয়ে বিতর্কে মুখ খুললেন রাকেশ বেদী। ছবি: সংগৃহীত।

‘ধুরন্ধর’-এর দু’টি ভাগই প্রশংসা কুড়িয়েছে। ছবিতে অভিনয় থেকে সঙ্গীত, সব কিছুই দর্শক মহলে সাড়া ফেলেছে। তবে এই ছবির সঙ্গে জুড়েছে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমাও। ছবিটি নাকি দেশের শাসকদলের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই তৈরি, সেই অভিযোগও উঠেছে। এই খবরও ছড়িয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকেই নাকি এসেছিল ‘ধুরন্ধর’-এর চিত্রনাট্যের ভাবনা। বিষয়টি নিয়ে এ বার মুখ খুলেছেন রাকেশ বেদী। তাঁকে এই ছবিতে জামিল জামালির চরিত্রে দেখা গিয়েছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ‘ধুরন্ধর’-এর এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন রাকেশ। ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা বলেন, “আমি যখন চিত্রনাট্য দু’তিন বার পড়েছিলাম, তখনই বুঝেছিলাম, এই ছবিতে শুধুই টানটান উত্তেজনা রয়েছে, এমন নয়। ছবি নয়। একটি গভীর গল্পও রয়েছে।”

হাস্যরসের জন্য জনপ্রিয় রাকেশ। এই ছবিতেও তাই কিছু জায়গায় হাস্যরস যোগ করতে চেয়েছিলেন তিনি। তিনি বলেন, “আমি আদিত্যকে (পরিচালক আদিত্য ধর) বলেছিলাম, ‘আমি কয়েকটি জায়গা দেখতে পাচ্ছি যেখানে একটু হাসির মুহূর্ত যোগ করা যায়। আমি কি চেষ্টা করব?’ তখন ও বলেছিল, ‘রাকেশজি, এখনই বলা কঠিন। কাজ এগোলে দেখা যাবে।’ প্রথমে ও একটু দ্বিধায় ছিল। কিন্তু পরে কাজ করতে করতে ওরও ভাল লাগতে শুরু করে, আমিও উপভোগ করতে থাকি।”

এর পরেই সেই অনুষ্ঠানে উঠে আসে ‘ধুরন্ধর’-এর ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমার প্রসঙ্গ। সত্যিই কি এই ছবির চিত্রনাট্য এসেছিল প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে? অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের এই প্রশ্নের জবাবে রাকেশ বেদী বলেন, “এমন সংলাপ কেউ লিখতে পারবে না। ছবিটি সফল হওয়ার পরে কিছু মানুষ বলতে শুরু করল যে ‘ধুরন্ধর’-এর চিত্রনাট্য নাকি পিএমও-থেকে লেখা হয়েছে। এমন কে আছেন যিনি এই ধরনের সংলাপ লিখতে পারেন? কেউ এমন ভাবতেও পারবেন না।” রাকেশ বেদী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে কেউ চিত্রনাট্য লেখেননি। তবে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে চিত্রনাট্য বা তার ভাবনা জোগানের কথা তিনি কোথা থেকে জেনেছেন, তা অবশ্য খোলসা করেননি রাকেশ বা ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। পাশাপাশি, এ হেন অভিযোগ নিয়ে পরিচালক আদিত্য ধর এখনও পর্যন্ত নীরব।

তবে ‘ধুরন্ধর’-এর পরে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে আরও বেশি ‘প্রোপাগান্ডা’ রয়েছে, এমনই অভিযোগ ওঠে প্রথম থেকেই। কারণ, ছবিতে নোটবন্দি-সহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিভিন্ন পদক্ষেপের আগে দেওয়া বক্তৃতার অংশ সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিতে সেগুলি বিভিন্ন চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে নিপুণ ভাবে পাকিস্তান-বিরোধী বার্তা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনা হল, গত বিধানসভা ভোটের প্রচারে কেরলে এই ছবির বিষয়বস্তুকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে আক্রমণের হাতিয়ার হিসেবেও ব্য।বহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। প্রচারে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “বাম এবং কংগ্রেস মিথ্যা বলায় পেশাদার হয়ে উঠেছে। ওরা বলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ মিথ্যা, বলে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মিথ্যা, আর এখন বলছে ‘ধুরন্ধর’ও মিথ্যা।”

‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাণের প্রশংসা করলেও অনেকেই ছবির রাজনীতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তার মধ্যে একজন হলেন হৃতিক রোশন। তবে উল্টো দিকে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী তারকারা এই ছবির প্রশংসাই করেছেন। তাঁরা ছবির নির্মাণকেই বড় করে দেখেছেন। তাঁদের মধ্যে অনুরাগ কাশ্যপ ও জাভেদ আখতারও রয়েছেন।

Rakesh Bedi Dhurandhar Dhurandhar 2 Dhurandhar Controversy PMO
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy