গত কয়েক দিন ধরেই আবার আলোচনায় সলমন খান। এ বার অবশ্য কোনও বিতর্ক নয়, বরং অনুরাগীরা চিন্তায় সলমনের স্বাস্থ্য নিয়ে। দিনকয়েক ধরেই সলমনের চেহারা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সম্প্রতি ‘লগান’ ছবির ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে সলমনকে দেখে অনেকেই প্রশ্ন করেন, অভিনেতা হঠাৎ মাথা ন্যাড়া করলেন কেন? শুধু তা-ই নয়, সম্প্রতি কংগ্রেস সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের মেয়ের বিয়েতেও সলমনকে দেখে শুরু হয় ফিসফাস। ওজন বেড়েছে অভিনেতার। স্ফীতোদর বোঝা যাচ্ছে শার্টের উপর থেকে। অভিনেতা নাকি খুব শীঘ্রই আমেরিকা যাবেন চিকিৎসার জন্য।
আরও পড়ুন:
সলমন বলিউডের চিরযুবক। ষাট পেরিয়ে এখনও তাঁর সুঠাম দেহ রীতিমতো টেক্কা দেয় নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের। এই বয়সেও নিয়মিত শারীরচর্চা করেন। তরুণ বয়স থেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন তিনি। এমনকি স্টান্টেও কখনও ‘বডি ডবল’ ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু সেই শরীর যেন ভাঙতে বসেছে। সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রির এক ঘনিষ্ঠ দাবি করেন, সলমনের শরীর ভাল নেই। পরিবারের লোকেরা নাকি তাঁকে বার বার আমেরিকায় যেতে বলছেন। সেখানেই আগে একাধিক বার চিকিৎসা করিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘সলমনের পেটে মেদ জমেছে, চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। কারণ কড়া ডোজ়ের স্টেরয়েড নিতে হচ্ছে তাঁকে।’’ যদিও সলমনের আদতে কী হয়েছে, সেটা তিনি খোলসা করেননি।
সুপ্রিয়া সুলের মেয়ের বিয়েতে সলমন খান।
শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও মুম্বই ছাড়তে নারাজ তিনি। অভিনেতা খুব শীঘ্রই রাজ ও ডিকে জুটির পরবর্তী ছবির কাজ শুরু করবেন। ২০২৬ সালের অক্টোবরেই শুটিং শুরু হবে। একেবারে অ্যাকশনে ভরপুর একটা সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকছেন সলমন। এই সিনেমার শুটিং শেষ না করে নাকি এক পা কোথাও নড়তে চাইছেন না তিনি। ‘সিকন্দর’ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার পর সলমনের পেশিতে এমন যন্ত্রণা শুরু হয় যে, দীর্ঘ কয়েক মাস চিকিৎসার জন্য শুটিং বন্ধ রাখতে হয়। সলমন চান না রাজ ও ডিকের ছবির ক্ষেত্রে তেমন কিছু হোক। যদিও শরীর খারাপের মতো বিষয়কে আগেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত। তবে কারও কথা শুনতেই নাকি নারাজ সলমন।