প্র: যে সময়ে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন তার সঙ্গে এখন ছোট পর্দায় কতটা তফাত অনুভব করেন?

উ: এখন দেখছি নাগ-নাগিনের শো খুব চলছে। যদিও সুপারন্যাচারাল শো এখন সারা বিশ্বেই জনপ্রিয়। আমাকে এই ধরনের শো অফার করা হয়েছিল কিন্তু আমি করিনি। নিজেকে ওই জায়গায় ঠিক দেখি না। কাজও তাই বেছে বেছেই করি। ‘বহু বেগম’-এর চরিত্রটা পছন্দ হল বলে রাজি হলাম।

প্র: টেলিভিশন, থিয়েটার, সিনেমা সব জায়গাতেই কাজ করেছেন। সবচেয়ে বেশি স্যাটিসফ্যাকশন কোথায় পেয়েছেন? 

উ: আমি কাজের অভিজ্ঞতা দিয়ে ক্রিয়েটিভ স্যাটিসফ্যাকশন মেপে থাকি। কী ভাবে শো বা ফিল্মের নির্মাতারা একটা চরিত্র সাজিয়ে অভিনেতাদের কাছে পেশ করছেন,  সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসলে  সকলের মিলিত প্রয়াসে ভাল কাজ হয়। আমি কাজ বেশি করি না। অনেকে তার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। আমি উচ্চাকাঙ্ক্ষী নই। আমার ব্যক্তিজীবনে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে কাজ করতে চাই। 

প্র: অবসরে কী করেন? 

উ: বেড়াতে যাই। আন্তর্জাতিক পত্রিকায় আমি ফুড এবং লাইফস্টাইল নিয়ে লেখালিখি করি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাই। স্বামীকে সময় দিই। নিজের ব্যক্তিগত জীবন কোনও দিন পাবলিক করতে পারব না।  

প্র: বাংলার সঙ্গে তো আপনার গভীর সম্পর্ক...

উ: আমার মা বাঙালি। মাতৃভাষা বাংলা। বাঙালি খাবার থেকে শাড়ি সব কিছু আমার ফেভারিট। আর দুর্গাপুজো... আমি অলস বলে প্যান্ডেলে খুব একটা যাই না কিন্তু বন্ধুদের বলে দিই, আমার জন্য ভোগ নিয়ে আসতে। পুজোর সময়ে তো বটেই, মাঝেমধ্যেই বাঙালিদের মতো সাজগোজ করি। 

প্র: বাংলা ছবিতে কাজ করতে চান?

উ: প্রস্তাব পেলে নিশ্চয়ই করব। আমার পারিশ্রমিকও চাই না। তার বদলে সেটে রোজ ফুচকা খেতে চাই (হাসি)!