Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৮ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

বিনোদন

বান্ধবী তরুণী মডেল, সুশান্তের দু’টি সংস্থার অধিকর্তা…দিদি রিয়ার মতো বিতর্কের কেন্দ্রে শৌভিকও

নিজস্ব প্রতিবেদন
১১ অগস্ট ২০২০ ১২:৩২
সুশান্ত সিংহ রাজপুতের রহস্যমৃত্যুকাণ্ডে রিয়া চক্রবর্তীর পাশাপাশি তাঁর ভাইয়ের নামও এখন আলোচনার শীর্ষে। ইন্ডাস্ট্রির কেউ না হয়েও শৌভিকও জড়িয়ে গিয়েছেন এই ঘটনায়। কিন্তু কে এই শৌভিক চক্রবর্তী ?  আসুন, একবার দেখে নিই তাঁর সম্বন্ধে কিছু তথ্য।

রিয়া, তাঁর ভাই শৌভিক এবং তাঁদের বাবা ইন্দ্রজিৎ ও মা সন্ধ্যা—চারজনের বিরুদ্ধেই আর্থিক তছরুপের অভিযোগ এনেছেন সুশান্তের বাবা কে কে সিংহ।
Advertisement
চক্রবর্তী পরিবারের কনিষ্ঠতম সদস্য শৌভিকের জন্ম ১৯৯৬ সালের ২৮ অগস্ট, বেঙ্গালুরুতে। দিদি রিয়ার মতো শৌভিকের পড়াশোনাও সেনা স্কুলে। তাঁদের বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন বলে ভারতের বিভিন্ন শহরে শৈশব কেটেছে দুই ভাইবোনের।

বেঙ্গালুরু থেকে চক্রবর্তী পরিবার চলে আসে মুম্বই। বম্বে স্কটিশ স্কুল থেকে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন শৌভিক। এরপর তাঁর ইচ্ছে ছিল বাণিজ্য শাখায় পড়তে কানাডা পাড়ি দেওয়ার। কিন্তু সে ইচ্ছে পূর্ণ হয়নি।
Advertisement
চব্বিশ বছর বয়সি শৌভিক এখনও বিয়ে করেননি। তবে গুঞ্জন শোনা যায়, মডেল জামিলা তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। রিয়া, সুশান্ত, শৌভিক এবং জামিলাকে মাঝে মাঝেই মুম্বই শহরতলির বিভিন্ন অংশে সপ্তাহান্তের ছুটি কাটাতে দেখা গিয়েছে।

পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, সুশান্তের দু’টি সংস্থার অধিকর্তা ছিলেন শৌভিক। এর মধ্যে প্রথম সংস্থাটি শুরু হয়েছিল ২০১৯-এর সেপ্টেম্বর। শৌভিক ছাড়া এর অধিকর্তা ছিলেন সুশান্ত এবং রিয়াও।

বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখভাল এবং মাল্টিমিডিয়া সংক্রান্ত কাজকর্ম করা এই সংস্থার অফিস ছিল পানভেলের একটি ফ্ল্যাটে। কর্মীর সংখ্যা ছিল দশ জনেরও কম।

এ বছর জানুয়ারি মাসে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শুরু হয়েছিল। ডিরেক্টর ছিলেন সুশান্ত এবং শৌভিক। দারিদ্র দূরীকরণ-সহ একাধিক আর্থ সামাজিক সমস্যা নিয়ে কাজ করত এই সংস্থা।

দু’টি সংস্থার অফিসই ছিল পানভেলের একই ফ্ল্যাটে। প্রথম সং‌স্থার মতো দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রেও কর্মীসংখ্যা ছিল দশের কম।

সুশান্তের মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মর্মস্পর্শী পোস্ট শেয়ার করেছিলেন শৌভিক। লিখেছিলেন, তিনি বিশ্বাস করতেই পারছেন না সুশান্ত নেই। সুশান্তের সঙ্গে নিজের ছবিও পোস্ট করেছিলেন।

সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা সরানোর অভিযোগের ভিত্তিতে রিয়াকে আগেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। সোমবার ভাই শৌভিক ও বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে ইডির দফতরে ঢুকতে দেখা যায় রিয়াকে।

সুশান্তের বিজনেস ম্যানেজার শ্রুতি মোদীকেও ডেকে পাঠানো হয়। দুপুরে ইডি দফতরে পৌঁছন সুশান্তের বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানি। ইডি সূত্রের দাবি, অভিনেত্রীর রোজগার, খরচ ও বিনিয়োগের ভিতরে অসঙ্গতি নিয়ে জবাব চাইছেন তদন্তকারীরা।

অভিনেত্রী রিয়া সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁকে ‘রাজনীতির বলির পাঁঠা’ করার চেষ্টা হচ্ছে। রিয়ার অভিযোগ, সুশান্তের মৃত্যুর পিছনে কোনও চক্রান্তের তথ্য এখনও সামনে না এলেও সংবাদমাধ্যম ইতিমধ্যেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ফেলেছে।

রিয়ার দাবি, সুশান্তের দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বিহার ভোটের আগে বিরাট ভাবে হইচই শুরু হয়েছে।