স্বরা ভাস্করকে মনে পড়ে? কয়েক মাস আগেই ‘পদ্মাবত’ মুক্তির পর খোলা চিঠিতে পরিচালক সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর দিকে আঙুল তুলেছিলেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন, ভন্সালী আসলে শেষমেশ ‘মানুষ’ আর ‘মেয়েমানুষ’-এ ভেদ করা সমাজেরই প্রতিনিধিত্ব করে ফেলেছেন। এ বার নিজের ছবি নিয়েই ট্রোলড হলেন অভিনেত্রী। বিষয়: স্বমহেন।
সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘ভিরে দি ওয়েডিং’। আর সেখানেই একটি স্বমেহনের দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে স্বরাকে। ব্যস, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়।
জনৈক ব্যক্তি স্বরাকে ট্যাগ করে টুইট করেন, ‘ঠাকুমাকে নিয়ে ভিরে দি ওয়েডিং দেখলাম। অনস্ক্রিন স্বমেহন দেখে আমাদের বেশ অস্বস্তি হচ্ছিল। আমার ঠাকুমা সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে বললেন আমি হিন্দুস্তানি, আর ভিরে দি ওয়েডিংয়ের জন্য লজ্জিত।’
আরও পড়ুন, ‘৩৫০ মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছি’
যদিও ট্রোলিংয়ের উত্তর স্বরা দিয়েছেন নিজস্ব মেজাজেই। তিনি টুইট করেছেন, ‘মনে হয় এই টুইটগুলি কেউ স্পনসর করেছেন।’
For some inexplicable reason, there seems to be a tremendous demand for Veere Di Wedding among Indian grandmothers, regardless of their alleged, consistent (word-to-word consistent!) opinion after the film. pic.twitter.com/VCn1wroHlf
— Karthik (@beastoftraal) June 2, 2018
তবে এ ঘটনার উল্টো পিঠও রয়েছে। সমালোচনা যেমন হয়েছে, তেমনই এই অতি সংস্কারী মনোভাবের বিরুদ্ধে টুইট করেছেন দর্শকদের একটা অংশ। রাহুল পান্ডিতা লিখেছেন, ‘কেন ঠাকুমাকে নিয়ে এত সংস্কারী লোকেরা ভিরে দি ওয়েডিং দেখতে গিয়েছেন?’
🤣🤣🤣🤣🤣🤣🤣 Looks like a certain IT cell sponsored the tickets- or definitely the tweets !!!! 🤦🏾♀️🤦🏾♀️🤦🏾♀️😆😆😆😆 https://t.co/KIUqMoOLRG
— Swara Bhasker (@ReallySwara) June 2, 2018
তবে এ সব সমালোচনায় স্বরার কিছু যায় আসে না। তিনি মন দিয়ে অভিনয় করেন। কোনও কিছু পছন্দ না হলে সপাটে বলেন। সকলেরই তো মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। সেই অধিকার প্রয়োগ করেছেন স্বরাও।
Why are so many sanskari people watching #VeereDiWedding with their grandmothers?
— Rahul Pandita (@rahulpandita) June 2, 2018