মাসখানেক আগের একটি ছোট্ট ভিডিয়ো। শুটের অবসরে হঠাৎ অভিনেতা অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি আটকেছিলেন স্বস্তিকা দত্ত। ছোটপর্দায় যিনি এই মুহূর্তে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’। দু’জনের মিষ্টি খুনসুটি ভালই সাড়া ফেলেছিল সমাজমাধ্যমে।
জুটির যে ছবি নিয়ে এত আলোচনা! ছবি: ফেসবুক।
কাট টু দিন দুই আগের একটি ছবি। অর্ণবের কাঁধে মুখ লুকিয়েছেন স্বস্তিকা। ছবির বিবরণীতে লেখা, ‘একরকমের রংমিলন্তি’! না, হুবহু এক পোশাক পরেননি তাঁরা। তবে নায়িকার শাড়ির গোলাপি আভা যেন নায়কের পাঞ্জাবিতেও। স্বস্তিকা আর অর্ণব ধারাবাহিক ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’তে জুটি বেঁধেছেন। দর্শকের কাছে তাঁদের পরিচয় ‘বিদ্যা’ আর ‘রাজঋত’। চিত্রনাট্যের কারসাজিতে প্রেম দানা বাঁধার আগেই বিয়ে। সাতপাক ঘোরার পর পর্দায় প্রেম করছেন তাঁরা।
আবিরছোঁয়া স্বস্তিকা, অর্ণব। ছবি: ফেসবুক।
তারই কি ছোঁয়া লাগল বাস্তবেও? কারণ, শুধু এই একটি ছবিই তো নয়। আরও দুটো ছবিতে তাঁদের মাখোমাখো রসায়ন! একটিতে উভয়ের গাল আবিররাঙা। অর্ণব নিজস্বীতে বন্দি করেছেন তাঁর নায়িকাকে। অন্য ছবিগুলোতেও নায়কের কাঁধে নিশ্চিন্ত আশ্রয় খুঁজেছেন নায়িকা! পোশাকের রং কি শেষে মনে ছড়াল? আনন্দবাজার ডট কম প্রশ্ন করেছিল উভয়ের কাছেই। স্বস্তিকা-অর্ণব দু’জনেই শুটিংয়ে ব্যস্ত। তারই ফাঁকে নায়িকার সংক্ষিপ্ত উত্তর, “রিলে প্রেম করছি কি না দাদা (স্নেহাশিস চক্রবর্তী) বলতে পারবেন। রিয়েলে নয়।” তার পরেই জানিয়েছেন, এই নিয়ে আর কিছু বলতে রাজি নন তিনি।
শুটিংয়ের ফাঁকে দু’টিতে জুটিতে। ছবি: ফেসবুক।
নায়ক অর্ণব প্রশ্ন শুনে একচোট হেসেছেন। তার পর বলেছেন, “এ রকম কিছুই ঘটেনি। সবটাই আমরা দর্শককে উপহার দিতে করেছি। ছবি তুলেছি ওঁদের কথা ভেবেই।” অভিনেতার সাফ দাবি, “প্রেমের পিছনে সময় দিতে মোটেই আগ্রহী নই। অন্তত এখন। আপাতত পেশাজীবন, অভিনয়, জনপ্রিয় ধারাবাহিক— এ সবেই মন।” প্রসঙ্গত, স্বস্তিকা এবং অর্ণবের জীবনে এর আগে প্রেম এসেছে। সেই অনুভূতি সরেও গিয়েছে একটা সময়। আপাতত তাঁরা ‘সিঙ্গলহুড’ উপভোগ করছেন। সেই সঙ্গে মন দিয়েছেন কাজে।