হঠাৎ করেই আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁর নাম। তিনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন ক্রিকেটতারকা স্মৃতি মন্ধানার ছোটবেলার বন্ধু হিসাবে। পলাশ মুচ্ছলের বিরুদ্ধে তিনি ৪০ লক্ষ টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তোলেন। তাঁর নাম বৈভব মানে। তবে স্মৃতির বন্ধু ছাড়াও তাঁর রয়েছে আরও একটি পরিচয়।
গত নভেম্বর মাস থেকে পলাশ-স্মৃতিকে নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। এ বার বৈভব মানের একটি অভিযোগ ঘিরে তাঁদের কাহিনিতে নতুন মোচড়। কে এই বৈভব? পেশায় বৈভব একজন অভিনেতা ও প্রযোজক। মূলত মরাঠী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন তিনি। বিনোদনদুনিয়ার অংশ হওয়া ছাড়াও বৈভব রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত।
২০২৪ সালে মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনে মিরাজ কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সমাজমাধ্যমে তিনি বেশ সক্রিয়। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৮৩ হাজার। সমাজমাধ্যমের ‘বায়ো’ বলছে, তিনি ক্রিকেট, দাবা ও ব্যাডমিন্টনে আগ্রহী।
আরও পড়ুন:
পলাশের বিরুদ্ধে বৈভবের অভিযোগটা ঠিক কী? বৈভবের কাছ থেকে নাকি ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে ফেরত দেননি পলাশ। তাঁরা জুটি বেঁধে ‘নজ়রিয়া’ নামে একটি ছবি করেন। ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল পলাশের কাঁধে। প্রযোজককে পলাশ নাকি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সিনেমার কাজ শেষ হতেই সেটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এই ছবির মুক্তির ব্যাপারে উদ্যোগী হননি পলাশ, এমনটাই অভিযোগ প্রযোজকের। তিনি নাকি পলাশকে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে অল্প অল্প করে কিস্তিতে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, কাজ হয়ে যাওয়ার পরে টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে কোনও কথাই নাকি বলেননি পলাশ। এ ছাড়া, স্মৃতির সঙ্গে বিয়ের আগেই নাকি পলাশকে অন্য মহিলার সঙ্গে বিছানায় ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন বৈভব। প্রতারণার অভিযোগ যদিও অস্বীকার করেছেন পলাশ।