Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

বিনোদন

গোবিন্দর সঙ্গে ব্যর্থ প্রেমের পরে দু’বার বিয়ে, নীলম এখন সফল জুয়েলারি ডিজাইনার

নিজস্ব প্রতিবেদন
০৭ জানুয়ারি ২০২০ ১৫:৪০
পারিবারিক ব্যবসা ছিল অলঙ্কারের। নিজে শখের বশে এসেছিলেন অভিনয়ে। প্রতিভার জোরে আটের দশকে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গাও করে নিতে পেরেছিলেন। কিন্তু বেশিদিন থাকতে চাননি প্রতিযোগিতায়। অভিনয়ের কেরিয়ার শেষে পারিবারিক ব্যবসাতেই ফিরে যান অভিনেত্রী নীলম। তিনি এখন প্রতিষ্ঠিত জুয়েলারি ডিজাইনার।  (ছবি: ফেসবুক)

গুজরাতি-ইরানি পরিবারে নীলমের জন্ম ১৯৬৯-এর ৯ নভেম্বর, হংকং-এ। তাঁর বাবা ছিলেন প্রথম সারির ঐতিহ্যবাহী অলঙ্কার নির্মাতা। হংকং-এর আইল্যান্ড স্কুলে নীলমের পড়াশোনা। হংকং থেকে নীলমের পরিবার পাড়ি দিয়েছিল ব্যাঙ্কক।  (ছবি: ফেসবুক)
Advertisement
মুম্বইয়ে পরিজনদের কাছে ছুটি কাটাতে এসে কিশোরী নীলম অভিনয়ের সুযোগ পান। তাঁর প্রথম ছবি ছিল রমেশ বহেলের পরিচালনায় ‘জওয়ানি’। ১৯৮৪ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিতে নীলমের বিপরীতে ছিলেন টিনা মুনিমের আত্মীয় করণ শাহ। বক্স অফিসে এই ছবি মুখ থুবড়ে পড়লেও প্রশংসিত হয় নবাগত নীলমের অভিনয়।  (ছবি: ফেসবুক)

‘জওয়ানি’-র পর থেকে ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ আসতে থাকে নীলমের কাছে। ১৯৮৬ সালে মুক্তি পায় ‘ইলজাম’। এই ছবিতে নীলমের বিপরীতে নায়ক ছিলেন নবাগত গোবিন্দ।  (ছবি: ফেসবুক)
Advertisement
পর্দায় সুপারহিট হয় গোবিন্দ-নীলম জুটি। একসঙ্গে মোট ১৪ টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তাঁরা। তাঁদের সুপারহিট ছবির মধ্যে ‘লভ ৮৬’, ‘খুদগর্জ’, ‘হত্যা’, ‘তাকতবর’ অন্যতম। (ছবি: ফেসবুক)

চাঙ্কি পাণ্ডের সঙ্গেও নীলমের জুটি ছিল জনপ্রিয়। ‘আগ হি আগ’, ‘পাপ কি দুনিয়া’, ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’, ‘মিট্টি অউর সোনা’, ‘ঘর কা চিরাগ’ চাঙ্কি-নীলম জুটির বক্স অফিস সফল ছবি। হিন্দির বাইরে আঞ্চলিক ভাষার ছবিতেও অভিনয় করেছেন নীলম।  তাঁর অভিনীত বাংলা ছবির নাম ‘বদনাম’। (ছবি: ফেসবুক)

শুধু বড় পর্দাতেই নয়। গোবিন্দ-নীলম সম্পর্ক একসময় ছিল ইন্ডাস্ট্রির বহুচর্চিত গুঞ্জন। পরে অবশ্য সেটি গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গোবিন্দ স্বীকার করেন তিনি নীলমের প্রেমে পাগল ছিলেন। অথচ তার আগেই গোবিন্দর জীবনে এসে গিয়েছেন সুনীতা। (ছবি: ফেসবুক)

কিন্তু নীলমের জন্য সুনীতার সঙ্গে এনগেজমেন্ট ভেঙে দিয়েছিলেন গোবিন্দ। তিনি চেয়েছিলেন নীলমকে বিয়ে করতে। কিন্তু আপত্তি জানান তাঁর মা। বাগদান হয়ে যাওয়ার পরে সুনীতার সঙ্গে ছেলের বিয়ে ভেঙে যাক, চাননি গোবিন্দর মা। (ছবি: ফেসবুক)

পরে এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ জানান, সামাজিক অবস্থানের দিক দিয়েও তাঁদের দু’জনের পরিবারের মধ্যে অনেক ফারাক ছিল। নীলমের পরিবার ছিল উচ্চবিত্ত। পাশাপাশি, কেরিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনের দিক দিয়ে উচ্চাকাঙ্খী ছিলেন নীলম নিজেও। তিনি প্রতিবারই বিয়ের প্রস্তাব হেসে উড়িয়ে দিতেন। ফলে সম্পর্ক থেকে সরে এসে ১৯৮৭ সালে গোবিন্দ বিয়ে করেন প্রেমিকা সুনীতাকেই। (ছবি: ফেসবুক)

নীলম অবশ্য এরপরে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে বিয়ের জন্য। তিনি কেরিয়ারকে সময় দিতে চেয়েছিলেন। গোবিন্দর সঙ্গে বিচ্ছেদ তাঁর কেরিয়ারে প্রভাব ফেলতে পারেনি। নয়ের দশকেও চুটিয়ে অভিনয় করেন তিনি। তাঁর ফিল্মোগ্রাফিতে উল্লেখযোগ্য নাম হল ‘অগ্নিপথ’, ‘জখম’, ‘ফর্জ কি জং’, ‘রণভূমি’, ‘ইন্দ্রজিৎ’, ‘পরম্পরা’ এবং ‘সওদা’। (ছবি: ফেসবুক)

নয়ের দশকের শেষ থেকে ছবিতে অভিনয় কমিয়ে দেন নীলম। ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় তাঁর ছবি ‘কুছ কুছ হোথা হ্যায়’ এবং তার পরের বছর ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’। এই ছবির শুটিংয়ে বিতর্কিত কৃষ্ণসার হরিণ হত্যাকাণ্ডে সলমন খান, সইফ আলি খান, সোনালি বেন্দ্রে, তব্বু-সহ প্রথমে অভিযুক্ত হন নীলমও। দীর্ঘদিন মামলা চলার পরে ২০১৮ সালে  উচ্চ আদালতে নীলম অভিযোগমুক্ত হন।  (ছবি: ফেসবুক)

২০০০ সালে ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ী ঋষি শেঠিয়াকে বিয়ে করেন নীলম। তবে সে বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।  (ছবি: ফেসবুক)

এক দশকেরও বেশি সময় একা থাকার পরে নীলম আবার বিয়ে করেন ২০১১ সালে। তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সমীর সোনি একজন অভিনেতা। ২০১৩ সালে একটি কন্যাসন্তান দত্তক নিয়েছেন সমীর ও নীলম। তার নাম রাখা হয়েছে ‘অহনা’। (ছবি: ফেসবুক)

অভিনয় থেকে দূরে এখন জুয়েলারি জিজাইনিং আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত আটের দশকের এই হার্টথ্রব। নায়িকা পরিচয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়ী হিসেবেও সাফল্য পেয়েছেন নীলম কোঠারি সোনি।  (ছবি: ফেসবুক)