Advertisement
E-Paper

রক্তচাপ ওঠানামার নেপথ্যে কেবল নুন নয়, রয়েছে আরও এক বিষয়, উপেক্ষা করলেই বিপদের ঝুঁকি!

মানসিক চাপ হোক বা কম ঘুম হওয়া, প্রক্রিয়াজাত খাবার হোক বা ওষুধের গোলমাল, নুন খাওয়া ছাড়াও এ সমস্ত কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। আর এগুলির মধ্যে রয়েছে এমন এক বিষয়, যা রক্তচাপ ওঠানামার নেপথ্যে বড় ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বার বার উপেক্ষিত হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৩
রক্তচাপ বৃদ্ধির নেপথ্যে কোন বিষয়টি লুকিয়ে রয়েছে?

রক্তচাপ বৃদ্ধির নেপথ্যে কোন বিষয়টি লুকিয়ে রয়েছে? ছবি: সংগৃহীত।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের কথা উঠলেই সাধারণত নুন কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু নুন বেশি খাওয়া বা কম খাওয়ার দিকে নজর দিতে গিয়ে এমন একাধিক বিষয় থেকে চোখ সরে যায়, যা রক্তচাপের উপর বড় প্রভাব ফেলে। তা সে মানসিক চাপ হোক বা ঘুমোনো, প্রক্রিয়াজাত খাবার হোক বা ওষুধের গোলমাল। এর মধ্যে আরও একটি বিষয় রয়েছে, যা রক্তচাপ ওঠানামার নেপথ্যে বড় ভূমিকা পালন করে।

রক্তচাপ বৃদ্ধির পিছনে আরও একটি কারণ রয়েছে, যা অধিকাংশ সময়ে উপেক্ষিত হয়। তা হল, চিনি বা মিষ্টি খাওয়া এবং রক্তে শর্করার মাত্রা। আসলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলেই সব দোষ নুনের ঘাড়েই গিয়ে পড়ে। মনে রাখা দরকার, চিনিও কিন্তু বড়সড় ভূমিকা পালন করে এ ক্ষেত্রে। যে ধরনের খাবারে অতিরিক্ত চিনি এবং পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট মেশানো থাকে, সেগুলি রক্তে গ্লুকোজ়ের মাত্রার হেরফের ঘটাতে পারে। পাশাপাশি, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি কমিয়ে দিতে পারে এবং দীর্ঘ মেয়াদে তা হার্টের রোগের ঝুঁকি তৈরি করে।

এই ধরনের খাবার অতিরিক্ত খেলে রক্তে ঘন ঘন সুগার বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে বেশি পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন হতে থাকে। ইনসুলিনের মাত্রা ক্রমাগত বেশি থাকলে ইনসুলিন রেজ়িস্ট্যান্স তৈরি হয়। আর এই পরিস্থিতির কারণে কিডনির উপর চাপ পড়ে। কিডনি থেকে বেশি জল এবং সোডিয়াম বেরোতে পারে না। ফলে রক্তে অতিরিক্ত সোডিয়াম মিশে গিয়ে রক্তের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আর এর ফলেই উচ্চ রক্তচাপ তৈরি হয়। পাশাপাশি, এটি শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা কমিয়ে দেয়। কিন্তু এ দিকে নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালিকা প্রসারিত এবং শিথিল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রক্তনালিকা সঙ্কুচিত এবং আড়ষ্ট হয়ে যায়।

Advertisement

নুন, চিনি এবং ইনসুলিন একে অপরের সঙ্গে গভীর ভাবে যুক্ত। যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ থাকে, তাঁদের প্রায়শই ইনসুলিন রেজ়িস্ট্যান্স বা বিপাক ক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই সুস্থ থাকতে হলে কেবল নুন নয়, বরং রক্তে গ্লুকোজ়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করাও সমান জরুরি। বিপাকক্রিয়া ঠিক থাকলেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

এ ছাড়া প্রতি দিনের জীবনযাপনে ছোট ছোট পরিবর্তন আনাও জরুরি। যেমন সময়মতো খাওয়া, পর্যাপ্ত জল পান, কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। এই অভ্যাসগুলি ধীরে ধীরে শরীর ও মনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

High Blood Pressure High Blood Pressure Symptoms
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy