ফিটনেসই তাঁর যাপনের মূলে। কখনও জিমে, কখনও বা প্রকৃতির মাঝে, কখনও আবার রোজের কাজের মাধ্যমেই শারীরচর্চা হয়ে যায় তাঁর। আর সেই প্রতিফলন স্পষ্ট ধরা পড়ে চেহারায়। বলিউড নায়ক হর্ষবর্ধন রানের পেশিবহুল, সুঠাম দেহই তাঁর যাপনের প্রমাণ। অনেকেই রানের মতো দেহাকৃতি পেতে চান। অথচ পথ সব সময়ে খুঁজে পান না। এ বার অভিনেতা নিজেই পথ বাতলে দিলেন। ভাগ করে নিলেন তিন মন্ত্র।
হর্ষবর্ধনের রেড লাইট থেরাপি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
হর্ষবর্ধনের তিন মন্ত্র
পেশিবহুল চেহারা তৈরির জন্য দরকার—
১. কসরত অর্থাৎ শারীরচর্চা
২. খাবার অর্থাৎ পুষ্টিকর খাওয়াদাওয়া
৩. রিকভারি অর্থাৎ বিশ্রাম ও শরীরের পুনরুদ্ধার, এর পাশে নায়ক লিখেছেন, ‘‘রেড লাইট’’!
তবে একই সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘আম ছুঁয়ে দেখাও বারণ!’’ ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি রেড লাইট থেরাপি নিচ্ছে।
হর্ষবর্ধনের মূলমন্ত্র কি কার্যকর?
পেশি মেরামত ও গঠন হওয়ার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পুষ্টি। বিশেষ করে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ শরীরকে সেই কাজ করতে সাহায্য করে। সঙ্গে যথেষ্ট ক্যালোরিরও প্রয়োজন রয়েছে। সেই কার্বোহাইড্রেট আর ক্যালোরির চাহিদা মেটাতে পারে আম। প্রবল কসরতের পর দই বা দুধের মতো প্রোটিন দিয়ে আম খেলে পেশি দ্রুত রিকভারির পর্যায়ে যেতে পারে। তাই আমের থেকে পুরোপুরি নিজেকে বঞ্চিত করার প্রয়োজন নেই। প্রাকৃতিক ভাবে মিষ্টি এই ফলকে নানা ভাবে পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বরং উপকারই হবে।
তবে অবশ্যই শারীরচর্চার পরে পেশির শক্তি ফিরে পেতে এবং পেশি বৃদ্ধির জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, কসরত ছাড়া পেশিগঠন করা সম্ভব নয়। কেবল জিমে গিয়েই তা করা যায়, এমন ধারণা ভিত্তিহীন। জিমের বাইরেও নানা ভাবে শারীরচর্চা করা যায়। আর বিশ্রাম এবং শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া পেশিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। তাই অভিনেতার তিন মন্ত্র অবশ্যই কার্যকর।
আরও পড়ুন:
হর্ষবর্ধন তাঁর রিকভারির জন্য আলোক-চিকিৎসার কথা উল্লেখ করেছেন। রেড লাইট থেরাপি নিয়ে চিকিৎসকদের মত, এই ধরনের আলো নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মাধ্যমে কোষের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে প্রদাহ কমে, শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং শারীরচর্চার পরে পেশির অস্বস্তি কিছুটা কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।