মেদ ঝরাতে হলে পাতে রাখতে হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে দৈনন্দিন খাবারে জুড়তে হবে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। তার জন্য কিনোয়া খুবই উপকারী। কিনোয়াতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে, যা পেট অনেক ক্ষণ ভরিয়ে রাখে। এক বাটি কিনোয়া মানে তার থেকে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট পাওয়া যাবে। এতে প্রায় সব ধরনের এসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিডই থাকে যা দানাশস্যের চেয়েও বেশি উপকারী। কিনোয়ার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় ডায়াবেটিক ডায়েটেও কিনোয়া রাখা যেতে পারে।
ওজন যদি কমাতে হয়, তা হলে কিনোয়া খেতে হবে বিশেষ উপায়ে। এর সঙ্গে কী কী মিশিয়ে খেলে ওজন দ্রুত কমবে, জেনে নেওয়া যাক।
কিনোয়ার পোলাও
এক বাটির মতো কিনোয়া নিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এ বার পছন্দের সব্জি যেমন গাজর, বিন, ব্রকোলি কেটে ধুয়ে রাখুন। কড়াইতে সামান্য অলিভ অয়েল বা সাদা তেল দিয়ে সব সব্জি দিয়ে ভাল করে নেড়ে নিন। এ বার ওই তেলেই তেজপাতা ও দারচিনি ফোড়ন দিন। তার পর সেদ্ধ কিনোয়া ও সব্জিগুলি দিয়ে নাড়ুন। স্বাদমতো নুন ও গোলমরিচ দিন। তার পর লেবুর রস ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
কিনোয়ার পরিজ়
সেদ্ধ কিনোয়া, টক দই বা আমন্ড মিল্ক, আপেল বা কলা, সামান্য মধু নিতে হবে। একটি বাটিতে সেদ্ধ কিনোয়ার সঙ্গে দই বা দুধ মেশান। উপরে ফলের টুকরো এবং সামান্য বাদাম ছড়িয়ে দিন। এটি চিনি ছাড়া খেলে ওজন দ্রুত কমবে।
কিনোয়ার খিচুড়ি
এক বাটি কিনোয়া ও এক কাপের মতো মুগ ডাল বা অড়হড় ডাল নিন। প্রথমে কিনোয়া এবং ডাল ভাল করে ধুয়ে খানিক ক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখুন। এ বার প্রেশার কুকারে সামান্য ঘি এবং গোটা জিরে ফোড়ন দিন। একটু গরম হলে তার মধ্যে পেঁয়াজ এবং আদা কুচি দিয়ে দিন। এর পর দিন একে একে হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। নুন দিয়ে দিন। মশলা কষানো হলে ভিজিয়ে রাখা ডাল এবং কিনোয়া দিয়ে দিন। কিছু ক্ষণ নাড়াচাড়া করে জল দিয়ে দিন। কিনোয়া সেদ্ধ হতে সময় লাগে। তাই বেশ কয়েকটি সিটি দিতে হবে। মোটামুটি মিনিট কুড়ি রাখলেই হবে। উপর থেকে ঘি, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নিতে পারেন।