তিনি অবসরপ্রাপ্ত। বয়স প্রায় ৪০। সন্তানের বয়স ৭ পেরিয়েছে। কিন্তু এক সময়ে টেনিসের কোর্টে তাঁকে টেক্কা দিতে নাভিশ্বাস উঠত তাবড় তাবড় খেলোয়াড়দেরও। সেই সানিয়া মির্জ়ার এখন একটিই স্বপ্ন, আজ থেকে ১০ বছর পরেও তিনি নিজেকে ফিট দেখতে চান। ১৭ বছরের পুত্রসন্তানের সঙ্গে টেনিস খেলতে চান, দৌড়াদৌড়ি করতে চান সমান শক্তি নিয়ে। আর তার জন্য একলা মা সানিয়া এখন থেকেই শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন। তাই সকাল থেকে নিয়ম করে শরীরচর্চা করেন তিনি।
সন্তানের জন্যই যাপনে বদল এনেছেন সানিয়া। ছবি: সংগৃহীত
মূলত শক্তিবৃদ্ধি বা স্ট্রেংথ ট্রেনিংয়ের ব্যায়াম করেন সানিয়া। নিয়মিত পিলাটিজ় করারও অভ্যাস রয়েছে তাঁর। তবে এই মুহূর্তের সময়ের অভাবে পিলাটিজ় করা হয়ে উঠছে না। শীত, বসন্তের সময়ে নিয়ম করে বাইরে ছুটতে যান সানিয়া। রোজ ৫-৭ কিমি ছোটেন তিনি।
টেনিস কোর্ট থেকে অবসর নিয়েছেন। নিয়মিত পেশাদার খেলাধুলোর বাইরে। ফলে আগের মতো নিয়মকানুন মেনে চলার তাগিদও নেই। কিন্তু তা বলে অস্বাস্থ্যকর, অনিয়মিত যাপনের ফাঁদে পা দেননি টেনিসতারকা সানিয়া। আগে নিয়মিত খেলার সুবাদে শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ এমনিই ঝরে যেত। প্রয়োজন মতো খাওয়াদাওয়া করতেন।
কিন্তু এখন কড়া ডায়েট মেনে চলা শুরু করেছেন সানিয়া। যেমন, সকালে জিমে যাওয়ার আগে জলে লেবুর রস, মধু, কালো জিরে, আদা আর হলুদ মিশিয়ে পান করেন সানিয়া। সারা রাত ভেজানো চিয়া বীজ খান। এর পর কফিতে চুমুক দেন। ব্যায়ামের আগে মূলত পানীয়ের উপরই ভরসা রাখেন তিনি। বাকি খাওয়াদাওয়া সবই শরীরচর্চার পরে। এ ভাবেই সারা দিনটি নানাবিধ স্বাস্থ্যকর যাপনের মধ্যে দিয়ে যায় তাঁর। স্বপ্ন একটিই, লক্ষ্য একটিই— সন্তানের জন্য সুস্থ থাকা।