Advertisement
E-Paper

শিশুর খিদে আর ঘুমের সময় বাড়ানোর কি কোনও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট আছে? সমস্যার সমাধান হবে কী ভাবে?

বড়দের ঘুমের সমস্যা হলে কিংবা খিদে কম হলে তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে পারেন। তবে খুদের খিদে আর ঘুম বাড়ানোর কি কোনও ‘দাওয়াই’ আছে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ০৯:৫৯
কী ভাবে ঘুম আর খিদে বাড়বে খুদের?

কী ভাবে ঘুম আর খিদে বাড়বে খুদের? ছবি: সংগৃহীত।

“আচ্ছা, শিশুর খিদে আর ঘুম বাড়ানোর কি কোনও ভিটামিন ওষুধ আছে?”

উপরের প্রশ্নটি অনেক চিকিৎসককেই শুনতে হয় নতুন বাবা-মায়েদের কাছ থেকে। কেউ চিকিৎসকের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন, তাঁর শিশু কিছুই খেতে চায় না। অনেকের আবার অভ‌িযোগ, কিছুতেই ঘুমোয় না তাঁদের খুদে।

বড়দের ঘুমের সমস্যা হলে কিংবা খিদে কম হলে তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে পারেন। তবে খুদের খিদে আর ঘুম বাড়ানোর কি কোনও ‘দাওয়াই’ আছে? চিকিৎসক অর্পণ সাহা কিন্তু বলছেন, ‘‘কোনও রকম ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট কিন্তু শিশুর ঘুমের পরিমাণ আর খাওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে না। তবে কিছু অভ্যাস আর নিয়মের মধ্যে শিশুকে বেঁধে দিলে এই দুই সমস্যারই সমাধান সম্ভব।’’

খেলাধুলো করানো: বয়স অনুযায়ী শিশুর খেলাধ‌ুলোর সময় বেঁধে দিতে হবে। ছ’মাসের কম বয়সি শিশুরা বসতে পারে না, সে ক্ষেত্রে তাদের উপুড় করে শোয়ানোর অভ্যাস বা ‘টামি টাইম’ করাতে হবে। এই অভ্যাসে দুধ ভাল হজম হবে, ফলে খিদে বাড়বে আর ঘুমও ভাল হবে। ছ’ মাসের পর থেকে শিশুদের বসিয়ে খেলানো অভ্যাস করুন। ন’মাসের পর থেকে শিশু হামাগুড়ি দিতে শেখে, সে সময় ওর সঙ্গে মাটিতে খেলা করুন। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শিশুকে অল্প অল্প করে হাঁটানোর অভ্যাস শুরু করুন। দেড় বছরের পর থেকে শিশুকে পার্কে নিয়ে যান নিয়ম করে। তিন থেকে ছ’বছরের শিশুরা যাতে দিনে অন্তত ৩ ঘণ্টা খেলাধুলো করে, তা নিশ্চিত করুন। ছ’বছরের পরে যেন শিশু দিনে অন্তত এক ঘণ্টা খেলে, সে দিকে নজর দিতে হবে বাবা-মায়েদের। খেলাধুলো করলে তাদের খিদে বাড়বে, তার সঙ্গে শক্তি খরচ বেশি হবে, ফলে ঘুমও বাড়বে।

সঠিক খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস: শিশুকে সব ধরনের জাঙ্কফুড থেকে দূরে রাখুন। জাঙ্কফুডে অত্যধিক চিনি, নুন আর ক্যালোরি থাকে। এগুলি খেলে শিশুরা বাড়ির খাবার মোটেই খেতে চাইবে না। আর বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার না খেলে শিশু পর্যাপ্ত মাত্রায় ভিটামিন এবং খনিজও পাবে না। এর ফলে ঘুমেরও ক্ষতি হবে। শিশুকে অতিরিক্ত চকোলেট দেবেন না, এতে কেবল শিশুরই ক্ষতি হয় না, বরং এতে থাকা ক্যাফিন শিশুর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানোর অন্যতম কারণ হতে পারে।

মোবাইল, টিভি থেকে দূরে রাখুন: শিশুর অতিরিক্ত মোবাইল, টিভি দেখার অভ্যাস থাকলে তারা আপনা থেকেই অলস হয়ে পড়ে, তারা কোনও রকম খেলাধুলো করতে চায় না। মোবাইল, টিভি থেকে আসা রশ্মি কিন্তু শিশুর ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করে। শিশুর ঘুমের অন্তত ঘণ্টাদুয়েক আগে ওকে টিভি, ফোন থেকে একেবারে দূরে রাখুন।

Parenting Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy