বাইরে খেলাধুলার সময় মশা, পিঁপড়ে ও মাকড়সার মতো হরেক রকম পোকাই শিশুদের ওপর চড়াও হতে পারে। আর পোকার কামড় মানেই চুলকানি ও ত্বক লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চুলকানির ফলে ত্বকে সংক্রমণও হতে পারে। সেই সব ক্ষেত্রে সন্তান কী ভাবে তাৎক্ষণিক আরাম পাবেন, এমনই পথ খোঁজেন বাবা-মায়েরা।
জ্বালা কমাতে কখনও কখনও ঘরোয়া টোটকার উপরেও ভরসা রাখেন অভিভাবকেরা। ক্ষতস্থানে কখনও মধু কখনও আবার তুলসীপাতার প্রলেপ লাগান কেউ কেউ। তবে চিকিৎসক অর্পণ সাহার বলেন, ‘‘পোকামাকড় কামড়ালে ঘরোয়া টোটকার উপর ভরসা রাখলে সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই খুব সচেতন ভাবে এবং যত্ন নিয়ে ক্ষতস্থানের মেরামত করতে হবে।’’
শিশুদের পোকামাকড় কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা কী হওয়া উচিত?
১) মশা কামড়ালে ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করুন।
২) পিঁপড়ে কামড়ালে অ্যালো ভেরা জেল ব্যবহার করলে জ্বালাভাব দ্রুত কমবে।
৩) মাকড়সা কামড়ালে ক্ষতস্থানে সবার আগে বরফ ঘষতে হবে।
৪) মৌমাছি কামড়ালে ক্ষতস্থানে বেকিং সোডার প্রলেপ দিতে হবে।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
শিশুদের পোকামাকড় কামড়ালে অনেক সময়ই ঠিক কী কামড়েছে তা বোঝা যায় না। শিশুরাও ঠিক করে বলতে পারে না সব সময়ে। সে ক্ষেত্রে ক্ষতস্থান ফুলে গেলে, বা সেখান থেকে পুঁজ বেরোতে শুরু করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ ছাড়া পোকা কামড়ানোর পরে শিশুর যদি শ্বাসকষ্ট, বমি, পেটে ব্যথা বা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা যায়, তা হলেও সময় অপচয় না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।