তাঁর ত্বকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীমহল। তাঁর ছিপছিপে, তন্বী চেহারার প্রতি ঈর্ষান্বিত মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ৩৬ বছরের নায়িকা তমন্না ভাটিয়া কিন্তু কৃচ্ছ্রসাধনে বিশ্বাসী নন। সাধারণ, সাদামাঠা নিয়ম মেনে চলেন তিনি। অন্ধের মতো ডায়েটের ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না। বরং নিজের শরীরের জন্য ঠিক কী প্রয়োজন, সে দিকেই মনোযোগ দেন তমন্না। আর তাই যাঁরা ডায়েটের পথে হাঁটতে ভয় পান, তাঁরাও তমন্নার দেখানো পথে চলা শুরু করতে পারেন।
তমান্নার মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একজন মহিলার শরীর পাল্টে যেতে থাকে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস এবং সুস্থ থাকার অভ্যাসও বদলাতে থাকে। এই মনোভাবই তাঁকে এত দিন ফিট থাকতে সাহায্য করেছে।
তমান্নার তন্বী চেহারার নেপথ্য রহস্য কী? ছবি: সংগৃহীত।
তমান্নার খাদ্যাভ্যাস কেমন?
দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য এবং গ্লুটেন সহ্য করতে পারে না তমন্নার শরীর। তাই নায়িকার ডায়েটে জায়গা পায় না এই দু’ধরনের খাবার। তবে কালেভদ্রে স্বাদকোরকের বায়না মেটাতে দুগ্ধজাত পণ্য খেয়ে ফেলেন তমন্না। সংযম আর ইচ্ছাশক্তির ভারসাম্য বজায় রাখায় বিশ্বাসী তিনি।
কখন কী খান তমন্না?
ভোর: ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস জল খান তমন্না। তার পর রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান তিনি। কখনও আমন্ড, কখনও বা আখরোট, কখনও আবার কালো কিশমিশ। সঙ্গে একটি করে ফল। খানিক পরে ড্রাই ক্যাপুচিনো খেয়ে মন ফুরফুরে হয়ে যায় নায়িকার। কোনও কোনও দিন কফির বদলে চা-ও খান তিনি।
প্রাতরাশ: মুগ ডালের চিলা বা ডিম খেয়ে জলখাবার সারেন নায়িকা। দিনের প্রাক্কালে প্রোটিনের উৎসে শরীরে জোর মেলে তাঁর।
মধ্যাহ্নভোজন: দুপুরেও প্রোটিনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব থাকে তমন্নার। কিনোয়ার সঙ্গে যে কোনও প্রকারের প্রোটিন খান তিনি। যার ফলে দিনভর গায়ে বল মেলে।
আরও পড়ুন:
বিকেল-সন্ধের টিফিন: ব্লুবেরি বা কলার মতো ফল খেয়ে বিকেল-সন্ধের খিদে মেটান তমন্না। কখনও সখনও মিষ্টির আকাঙ্ক্ষা তৈরি হলে খেজুর খেয়ে নেন। এর ফলে সব রকম স্বাদের খাবারও খেতে পারেন, আবার নিয়ম থেকে বিচ্যুতিও ঘটে না।
নৈশভোজ: দুপুরের সঙ্গে বিস্তর ফারাক নেই নৈশভোজে। প্রোটিনে ভরপুর খাওয়াদাওয়া করতে ভালবাসেন তমন্না। কিনোয়া, সব্জি আর স্যালাড দিয়ে পেট ভরান নায়িকা। নিয়মিত নাচ ও শরীরচর্চা করেন বলে, প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর বিষয়ে সচেতন তমন্না।