Advertisement
২৬ মে ২০২৪
National news

কিশোরীকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় গ্রেফতার ১৪, ফেরার ৬

গণধর্ষণের পর কিশোরীকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আরও ৬ জনের খোঁজ চলছে। এমনটাই জানিয়েছে ঝাড়খণ্ডের চাতরার এক পুলিশ কর্তা।

প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা
রাঁচী শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০১৮ ১৫:৫০
Share: Save:

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ওঠেচাতরার ইটখেরি থানা এলাকার তেন্দুয়া গ্রামে। শুক্রবার দুপুরে ওই দুষ্কৃতীরা নির্যাতিতার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে তাকে পুড়িয়ে মারে বলে অভিযোগ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন রাতে তেন্দুয়া গ্রামেই এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল ওই কিশোরী। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হতে অনেক রাত হয়ে যায়। রাতের খাওয়ার পরে সে কলতলায় হাত ধুতে যায়। সেই সময়ে ওই গ্রামেরই কয়েক জন যুবক তাকে তুলে নিয়ে যায়। ওই কিশোরীর বাড়ির লোকজন মেয়ের খোঁজে বেরিয়ে একটি নির্জন এলাকায় তাকে অচৈতন্য অবস্থায় পায়। জ্ঞান ফিরলে কিশোরী সব ঘটনা মা-বাবাকে খুলে বলে।

শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে নির্যাতিতার মা বাবা ও অভিযুক্তদের নিয়ে গ্রামসভা বসান গ্রামবাসীরা। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘পুলিশকে ঘটনাটি জানালে মেয়েকে মেরে ফেলা হবে বলে ওই যুবকেরা মেয়েকে হুমকি দিয়েছিল। তাই পুলিশকে ঘটনাটি না জানিয়ে গ্রামসভাতে অভিযোগ জানাই।’’ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামসভাতে অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জন হাজিরও ছিল। অভিযুক্তদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে তাদের ১০০ বার কান ধরে ওঠবোস করায় গ্রামসভা। দু’দিনের মধ্যেই নির্যাতিতার পরিবারকে টাকা দিতেও বলা হয়।

গ্রামসভা যখন চলছে, তখন বাড়িতে ওই কিশোরী ছাড়া আর কেউ ছিল না। গ্রামসভা শেষ হওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই গ্রামবাসীরা দেখেন নির্যাতিতার বাড়িতে আগুন লেগেছে। এক গ্রামবাসী জানান, কোনও রকমে জ্বলতে থাকা ঘর থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন তাঁরা। তত ক্ষণে মেয়েটির শরীরের বেশির ভাগ অংশই পুড়ে গিয়েছে। মেয়েটিকে চাতরার স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE