দিল্লির আবগারি দুর্নীতি নিয়ে আবার আপের দিকে তোপ তদন্তকারী সংস্থা ‘এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট’ (ইডি)-র। চার্জশিটে তাদের দাবি, রাজধানীর আবগারি দুর্নীতি থেকে পাওয়া বিপুল অর্থ গোয়ায় ভোটপ্রচারে খরচ করে কেজরীওয়ালের আপ। গত বছর গোয়ার বিধানসভা ভোটে লড়াই করেছিল আপ। দু’টি আসনে জয়লাভ করে তারা।
আরও পড়ুন:
চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, আপের সমীক্ষক দলকে নগদে ৭০ লক্ষ টাকা মেটানো হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আপের তরফে ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক বিজয় নায়ার জানিয়েছেন, প্রচারের কাজের জন্য কয়েক জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। তাঁদের সবাইকেই নগদে অর্থ মেটানো হয়েছে। ইডির আরও দাবি, বিজয় একটি গোষ্ঠী মারফত ১০০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা মূলত ‘কিকব্যাক’। অর্থাৎ, কোনও কাজ করে দেওয়ার পরিবর্তে উপঢৌকন হিসাবে পাওয়া নগদ। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, যে গোষ্ঠীর কাছ থেকে বিজয় এই ‘কিকব্যাক’ পেয়েছিলেন তাতে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ে কে কবিতার পাশপাশি নাম রয়েছে ওয়াইএসআরসিপি সাংসদ এমএস রেড্ডি, তাঁর পুত্র রাঘব মাগুন্টা, অরবিন্দ ফার্মার ডিরেক্টর পি শরৎচন্দ্র রেড্ডির। হায়দরাবাদের এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সেই টাকার হাতবদল হয়। ইডির দাবি, এই চক্রে হায়দরাবাদের ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়ার ঘনিষ্ঠ দীনেশ অরোরা।
ইডি এই মামলায় বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয়। যদিও সেই চার্জশিটে নেই সিসৌদিয়ার নাম। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ইডির অতিরিক্ত চার্জশিটকে কটাক্ষ করেছে আপ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়াল ইডির চার্জশিটকে ‘সম্পূর্ণ মনগড়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।