×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৭ জুন ২০২১ ই-পেপার

চিনে আটকে থাকা ভারতীয় নাবিকদের ফেরাতে মোদীকে চিঠি অধীরের

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ও বহরমপুর ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ ১৪:৫৩

কয়েক মাস ধরে চিনের বন্দরে আটকে ভারতের দু’টি জাহাজ। সঙ্কটের মুখে পড়েছেন জাহাজের ক্যাপ্টেন-সহ ৩৯ কর্মী। সেই কর্মীদের উদ্ধারের আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী। অধীরের ক্ষোভ, ‘‘ভারতীয় নাবিকদের সঙ্গে জঙ্গির মতো আচরণ করা হচ্ছে। চিকিৎসা, খাবারের সঙ্কটে ভুগছেন।ওঁদের অবিলম্বে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হোক।’’

এ জন্য আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে তাঁদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন বহরমপুরের সাংসদ অধীর।

অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা নিয়ে আসার পথে গত ১৩ জুন চিনের জিংট্যাং বন্দরে নোঙর করে ভারতীয় জাহাজ এমভি অনস্তেশিয়া। ওই জাহাজে রয়েছেন ২৩ জন নাবিক। অন্য জাহাজ এমভি জগ আনন্দ অস্ট্রেলিয়া থেকে চিনের কাওফেইডিয়ান বন্দরে ভিড়েছিল ২০ সেপ্টেম্বর। তার পর থেকেই দু’টি জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায়। কিন্তু সেই অনুমতি দিচ্ছে না বেজিং। এমনকী, কর্মীদের জাহাজ থেকে উপকূলেও নামতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে খাবার-ওষুধে টান পড়ছে। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছে চিন-অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্যযুদ্ধ এবং পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সঙ্ঘাতের বলি করা হচ্ছে ওই জাহাজ এবং তার কর্মীদের। যদিও বেজিংয়ের দাবি, করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধের জন্যই পণ্য খালাসে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না।

Advertisement

আরও পড়ুন: অমর্ত্য সেনকে ‘জমিচোর’ বলে এ বার অধীরের তোপের মুখে দিলীপ

এই নিয়েই এ বার সরব হলেন অধীর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে অধীরের বক্তব্য, ‘আটকে পড়া ভারতীয় নাবিকদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ওষুধ, চিকিৎসার মতো সাধারণ মানবাধিকারও পাচ্ছেন না তাঁরা’। বেজিংকে নিশানা করে অধীরের তোপ, ‘চিন আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুনের ধার ধারছে না এবং ওই পেশাদার ভারতীয় নাবিকদের সঙ্গে জঙ্গির মতো আচরণ করছে’।

আরও পড়ুন: ‘দাবাই ভি, কড়াই ভি’, টিকা নিয়েও সতর্ক থাকার নয়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

চিঠিতে সরকারকে অধীরের পরামর্শ, ‘সরকারের উচিত কূটনৈতিক দিক দিয়ে চিনকে চাপ দেওয়া। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলে বেজিংয়ের এই গোঁয়ার্তুমিকে তুলে ধরুক নয়াদিল্লি, যাতে অবিলম্বে ওই নাবিকদের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়’।

Advertisement