কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আগামিকাল জম্মুর ভগবতীনগর বেস ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করবে অমরনাথ যাত্রীদের প্রথম দল। তার আগে আজ অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ করে হিজবুল মুজাহিদিন কম্যান্ডার রিয়াজ় নাইকু জানাল, যাত্রীদের উপরে হামলা চালানোর কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই। বরং কাশ্মীরি পণ্ডিতেরাও উপত্যকায় ফিরতে পারেন।
হিজবুল কম্যান্ডারের দাবি, অমরনাথ যাত্রীদের উপরে তারা কখনওই হামলা চালায়নি। এ বারও তেমন কোনও পরিকল্পনা নেই। বরং হিন্দু পণ্ডিতেরাও কাশ্মীরে ফিরতে পারেন। প্রয়োজনে একটি পণ্ডিত পরিবারের জন্য সে নিজের জমিও ছে়ড়ে দিতে রাজি বলে জানিয়েছে রিয়াজ়। তার দাবি, ভারত কাশ্মীরে সন্ত্রাসের কথা প্রচার করে। কাশ্মীরিদের উপরে অন্য রাজ্যে হামলা হয়। কিন্তু কাশ্মীরে অন্য রাজ্যের যে বাসিন্দারা আছেন তাঁরা কি কখনও আক্রান্ত হয়েছেন? এমনকি উপত্যকায় অন্য রাজ্যের অনেক মহিলা ভিক্ষাও করেন। তাঁদের উপরে কি কখনও হামলা হয়েছে? রিয়াজ়ের দাবি, ‘‘পণ্ডিতেরা ফিরতেই পারেন। তবে তাঁদের জন্য আলাদা কলোনির প্রস্তাব আমরা মানব না।’’
গত বার অমরনাথ যাত্রীদের উপরে হামলার কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কয়েকটি নতুন পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। অমরনাথ যাত্রার সুরক্ষার জন্য বাহিনীর প্রস্তুতির নাম রাখা হয়েছে ‘অপারেশন শিব’।
জম্মু থেকে যাত্রীরা যাবেন গান্ধেরবালের বালতাল ও অনন্তনাগের নানওয়ান-পহলগামের বেস ক্যাম্পে। সেখান থেকে শুরু হবে যাত্রার মূল পর্ব। সেনা সূত্রে খবর, বালতাল ও পহলগামের বেস ক্যাম্প থেকে দুপুর দু’টোর পরে যাত্রীদের কোনও গাড়ি ছাড়া হবে না। জম্মু এবং কাশ্মীরের সংযোগকারী জওহর সুড়ঙ্গ সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে পার করানো হবে যাত্রীদের। গোটা পথে নজরদারি চালানোর জন্য বিশেষ মোটরসাইকেল স্কোয়াড গঠন করেছে সিআরপিএফ। বিশেষ ধরনের এই মোটরসাইকেলগুলিতে আপৎকালীন সহায়তার কিছু ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা।