মহিলা সংরক্ষণ আইন দ্রুত কার্যকর করার জন্য ফের কংগ্রেসের সমর্থন ও আলোচনায় বসতে চেয়ে মল্লিকার্জুন খড়্গেকে চিঠি দিলেন মোদী সরকারের সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। ২০২৯-এর লোকসভা ভোটেই মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে চান বলে আজই জানিয়ে দিলেন অমিত শাহও। কংগ্রেসের অবশ্য দাবি, মোদী সরকার আলাদা ভাবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে কথা না বলে পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনের শেষে, ২৯ এপ্রিলের পরে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুক।
প্রাথমিক ভাবে মোদী সরকারের পরিকল্পনা ছিল, চলতি সপ্তাহান্তে শনি-রবিবারও সংসদে অধিবেশন চালু রেখে মহিলা সংরক্ষণ আইনে সংশোধনী বিল পাশ করানো হবে। তা হলে ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগেই মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যাবে। ২০২৭ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস না করে মোদী সরকার ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩টি থেকে বাড়িয়ে ৮১৬টি করতে চাইছে। তার মধ্যে ২৭২টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংবাদমাধ্যমকে সরকারের এই লক্ষ্যের কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। শাহের বক্তব্য, ‘‘সরকার ২০২৯-এর ভোটেই মহিলা সংরক্ষণ চালু করতে চায়। কিন্তু কংগ্রেস বলছে, তারা মে মাসে এ নিয়ে কথা বলবে।’’
মহিলা সংরক্ষণ চালু করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। মোদী সরকার এ জন্য বিভিন্ন দলের সঙ্গে কথা বললেও লোকসভা, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন এখনও জোগাড় করতে পারেনি। আজ রিজিজু জানিয়েছেন, এনডিএ-র দলগুলির মধ্যে কথা হয়েছে। সর্বদলীয় বৈঠক না ডাকলেও সরকার সব দলের সঙ্গে কথা বলছে। মহিলা সংরক্ষণ বিল না আসায় শনি-রবি সংসদের অধিবেশন ছুটি থাকছে।
সোমবার সংসদের অধিবেশন বসবে। সে দিন মাওবাদী দমন নিয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে। তার পরে মঙ্গলবার মহাবীর জয়ন্তীর ছুটির পরে বুধ, বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন করে বাজেট অধিবেশনে ইতি টানা হবে। মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে বিধানসভা ভোটের পরে আবার মোদী সরকার উদ্যোগী হবে বলেসূত্রের খবর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)