অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘বিপর্যয়’। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আরও প্রবল হতে পারে সেটি। বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্ব-মধ্য আরব সাগর থেকে ক্রমেই উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আসছে। আশঙ্কা, তিন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে এই ঘূর্ণঝড়। মৌসম ভবন জানিয়েছে, এখন গোয়া থেকে ৮৬০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১৩৫ থেকে ১৪৫ কিলোমিটার।
চলতি বছর আরব সাগরের উপর এই প্রথম কোনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ ঘূর্ণাবর্ত থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘বিপর্যয়’। মৌসম ভবন মনে করছে, গোয়া, গুজরাত এবং কর্নাটক উপকূলে প্রভাব ফেলতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। গুজরাত সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই মৌসম ভবন মৎস্যজীবীদের সতর্ক করে গভীর সমুদ্রে যেতে বারণ করেছে। যাঁরা সমুদ্রে রয়েছেন তাঁদের ফিরে আসতে বলেছে। যদিও আরব সাগর সংলগ্ন বাকি দেশ ওমান, ইরান, পাকিস্তানে এই ঝড়ের তেমন প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছে মৌসম ভবন।
আরও পড়ুন:
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণেই বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বেড়েছে। একটি সমীক্ষা বলছে, আরব সাগরের উপর বর্ষার আগে ঘূর্ণিঝড়ের পুনরাবৃত্তির সংখ্যা, মেয়াদ এবং তীব্রতা ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্ষার পরে তা ২০ শতাংশ বেড়েছে। আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বেড়েছে ৫২ শতাংশ, অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বেড়েছে ১৫০ শতাংশ।