E-Paper

সিএপিএফ বিল পাশ বিরোধী-শূন্য রাজ্যসভায়

বর্তমানে বিভিন্ন আধা সামরিক বাহিনী (সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, এসএসবি)-তে বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২৮
রাজ্য সভায় কিরেণ রিজিজু সহ অনান্য সাংসদেরা।

রাজ্য সভায় কিরেণ রিজিজু সহ অনান্য সাংসদেরা।

বিরোধীদের দাবি ছিল, স্পর্শকাতর সিএপিএফ বিলটিকে পাঠানো হোক সংসদীয় সিলেক্ট কমিটিতে। সেই দাবি সরকার না মানায় আজ বিল নিয়ে আলোচনার শেষে রাজ্যসভার কক্ষ ত্যাগ করেন বিরোধীরা। বিরোধী-শূন্য রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটে বিলটি পাশ করিয়ে নেয় শাসক শিবির। ক্ষুব্ধ প্রাক্তন আধা সেনা কর্তাদের মতে, ওই বিল দেশের আধা সামরিক বাহিনীর অফিসারদের মনোবল ভেঙে দেবে।

বর্তমানে বিভিন্ন আধা সামরিক বাহিনী (সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, এসএসবি)-তে বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। সেগুলি এক ছাতার তলায় আনতে বিলটি এনেছে সরকার। পাশাপাশি ওই বিলে আধা সেনার ইনস্পেক্টর জেনারেল (আইজি) পর্যায়ের ৫০ শতাংশ পদ ও অতিরিক্ত ডিজি পর্যায়ের ৬৭ শতাংশ পদ এবং বিশেষ ডিজি পদ ও ডিজি পদ আইপিএস অফিসারদের নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে। যা নিয়ে আপত্তি রয়েছে আধা সেনায় সরাসরি যোগ দেওয়া ‘এ’ শ্রেণির ক্যাডারদের। এ যাবৎ বাহিনীর শীর্ষ পদে বসেছেন আইপিএস অফিসারেরা। যা পাল্টাতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় আধা সেনা সংগঠন। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট আধা সেনায় বাইরে থেকে আসা আইপিএস অফিসারদের নিয়োগ কমানোর পরামর্শ দেয় কেন্দ্রকে। কিন্তু সরকারের আনা বিলে মূলত আধা সেনাবাহিনীর মাথায় সেই আইপিএসদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ফলে আধা সেনার ‘এ’ শ্রেণির ক্যাডারদের বাহিনীর শীর্ষে বসার সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে গেল বলেই সরব হয়েছেন বিরোধীরা।

বিলটি নিয়ে বিতর্কের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই যদিও বলেন, ‘‘এতে আধা সেনার ‘এ’ শ্রেণির ক্যাডারদের পদোন্নতিতে সমস্যা হবে না। ‘এ’ শ্রেণির ক্যাডারেরা গড়ে ৪টি পদোন্নতি পান, যাঁরা কম বয়সে ভর্তি হন, তাঁরা পাঁচটি পর্যন্ত পেতে পারেন।’’ কিন্তু বাহিনীর শীর্ষে কি আধা সেনার এ শ্রেণির ক্যাডারেরা কি পৌঁছতে পারবেন? জবাব দেননি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিরোধীদের মতে, যে বিলটি আনা হয়েছে তা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী। যদিও নিত্যানন্দের দাবি, ওই বিলটি উল্টে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে মজবুত করবে। সব বাহিনীর জন্য একই ধাঁচের আইন হওয়ায় তাঁদের নিয়ন্ত্রণ, বাহিনীতে নিয়োগ প্রক্রিয়া মসৃণ হবে। নিত্যানন্দের জবাবে অসন্তুষ্ট বিরোধী নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে বিলটি আলোচনার শেষে সংসদীয় সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি জানান। সরকার তা মানতে না চাইলে রাজ্যসভার কক্ষ ছাড়েন বিরোধীরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Rajya Sabha

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy