Advertisement
E-Paper

‘ওঠ, চোখ খোল’! বৃন্দাবন মন্দিরের প্রবেশপথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট পুত্রের দেহ ধরে আকুল আর্তি বাবার, ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, শোকার্ত বাবা তাঁর পুত্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে করতে আকুতি জানাচ্ছেন। অন্য একটি ভিডিয়োয় ধরা পড়েছে, মর্মান্তিক ঘটনাটি। সেখানে দেখা গিয়েছে, অভিজ্ঞান ও তাঁর বাবা মন্দিরে প্রবেশের আগে জুতো খুলছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ১৫:২৫

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

বৃন্দাবনের ইসকন মন্দিরের কাছে পুরসভার পক্ষ থেকে বসানো একটি ত্রুটিপূর্ণ কুলারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ২১ বছরের এক তরুণের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তবে চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন সূত্রে খবর নিহত যুবকের নাম অভিজ্ঞান গুপ্ত। বাবার সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের ছত্রপুর থেকে বৃন্দাবন এসেছিলেন তাঁরা। সোমবার সকালে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। মর্মান্তিক এই ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন তাঁর বাবা। বার বার ছেলেকে জাগানোর চেষ্টা করতে দেখা যায় তাঁকে। একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, শোকার্ত বাবা তাঁর পুত্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে করতে আকুতি জানাচ্ছেন। অন্য একটি ভিডিয়োয় ধরা পড়েছে, অভিজ্ঞান ও তাঁর বাবা মন্দিরে প্রবেশের আগে জুতো খুলছেন। তখনই তরুণ ভুলবশত কুলারটিতে হাত দিয়ে ফেলেন। শরীরে বিদ্যুৎ প্রবাহ যেতেই অভিজ্ঞান চিৎকার করে ওঠেন। পুত্রের চিৎকার শুনে বাবা তাঁকে সরিয়ে নিতে ছুটে যান। কিন্তু তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পিছনে পড়ে যান। ২১ বছর বয়সি অভিজ্ঞান কুলারের সঙ্গে আটকে পড়ে ছটফট করতে থাকেন।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গ্রীষ্মের তীব্র গরম থেকে ভক্তদের স্বস্তি দিতে পুরসভা মন্দিরগুলির চারপাশে ফ্যান-কুলারের ব্যবস্থা করেছিল। কুলারগুলির মধ্যে একটিতে বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং তাতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে শুরু করে। কুলারের কাঠামোটির সংস্পর্শে এসে অভিজ্ঞান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। মন্দিরের দর্শনার্থী ও স্থানীয়েরা তাঁকে দ্রুত নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে পৌঁছোনোর পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

চিকিৎসক জানিয়েছেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা রোগীকে পরীক্ষা করেন। তরুণের শরীরে প্রাণের কোনও লক্ষণ ছিল না। তাঁর হৃৎস্পন্দন ছিল না। চোখের মণি সম্পূর্ণ প্রসারিত হয়ে গিয়েছিল। ভিডিয়োয় এক চিকিৎসককে জরুরি ভিত্তিতে সিপিআর দিতেও দেখা গিয়েছে। যদিও এই মর্মান্তিক ঘটনা সম্পর্কে পুরসভা কর্তৃপক্ষ কোনও বিবৃতি দেননি বলেই জানা গিয়েছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য অভিজ্ঞানের দেহ নিয়ে গিয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

Mathura Vrindavan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy