মাত্র ৪০ টাকার জন্য ফাঁস হয়ে গেল পরিচয়। চায়ের দোকানে গিয়ে পাউরুটি নিয়ে দাম না দেওয়ায় বিপদে পড়লেন এক ‘আইপিএস’ আধিকারিক। ধরা পড়ে গেলেন পুলিশের ভুয়ো পরিচয় নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এক তরুণ। খাবার নিয়ে টাকা দিতে না চাওয়ার পর উপস্থিত কনস্টেবলদের স্যালুট করার জন্য নির্দেশ দেন। সেই কাজে জোরাজুরি করতে গিয়েই বিপদ ডেকে আনলেন তরুণ। লখনউয়ের ভুয়ো পুলিশকর্তার কীর্তির পর্দাফাঁস হওয়ার সেই ঘটনাটির একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, নয়ডার আইপিএস অফিসার সেজে থাকা এক ব্যক্তিকে লখনউ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি একটি চায়ের দোকানে ৪০ টাকা দিতে অস্বীকার করেন। দোকানের মালিকের সঙ্গে বচসা শুরু হতেই নিজেকে আইপিএস আধিকারিক বলে দাবি করেন তিনি। তার পর ঝামেলা বাড়লে পুলিশে খবর দেন চা-বিক্রেতা। পুলিশ আসার পরও বিন্দুমাত্র ঘাবড়ে যাননি ভুয়ো আইপিএস। উল্টে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের কাছে যথাযথ সম্মান দাবি করেন। কনস্টেবলদের ওপর চড়াও হয়ে দাবি করেন তিনি নয়ডায় কর্মরত একজন আইপিএস অফিসার। জানতে চান, তাঁকে কেন স্যালুট করা হচ্ছে না?
কনস্টেবলেরা সাফ জানিয়ে দেন সাদা পোশাকে থাকা কাউকে স্যালুট করা হবে না। সঠিক পরিচয় ও উর্দিপরিহিত হলে তবেই সেই সম্মান দেওয়া হবে। তিনি যদি সত্যিই পুলিশ অফিসার হন, তবে প্রথমে তাঁর ইউনিফর্ম পরে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। ভিডিয়োয় কনস্টেবলকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘সঠিক উর্দি পরে আসুন, আপনার পরিচয়পত্র দেখান, তার পর আমি আপনাকে স্যালুট করব। তার আগে নয়।’’ ভুয়ো পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি দু’টির কোনওটিই দেখাতে পারেননি।
‘নেহরাজি৭৭৮’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে লখনউ পুলিশ। শুক্রবার পুলিশের পক্ষ থেকে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানানো হয়েছে যে মহানগর থানায় প্রাসঙ্গিক আইনি ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।