Advertisement
E-Paper

রান্নার গ্যাসের জোগানে ধাক্কা কাটাতে তৎপরতা কেন্দ্রের! জারি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, বাড়বে এলপিজি উৎপাদন?

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে আচমকাই টান পড়েছে ভারতের রান্নার গ্যাসের জোগানে। বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় মুম্বইয়ের ২০ শতাংশ হোটেল এবং রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ১৭:৩৭
রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার।

রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার। —ফাইল চিত্র।

রান্নার গ্যাসের জোগানে টান পড়তেই এ বার পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। গেজ়েট বিজ্ঞপ্তি জারি করে কার্যকর করা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫। রান্নার গ্যাসের সরবরাহে যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করার জন্যই এই আইন কার্যকর করা হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর অগ্রাধিকার থাকবে লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) প্রস্তুতকেন্দ্রগুলিরও।

এত দিন পর্যন্ত দেশে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর প্রথম অধিকার থাকত শুধুমাত্র কমপ্রেস্‌ড ন্যাচরাল গ্যাস (সিএনজি) এবং পাইপ্‌ড কুকিং গ্যাস বা পাইপ্ড ন্যাচরাল গ্যাস (পিএনজি) প্রস্তুত কেন্দ্রগুলির। এ বার নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এলপিজি প্রস্তুতকেন্দ্রগুলিও দেশে তৈরি প্রাকৃতিক গ্যাসকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ব্যবহার করতে পারবে। নতুন নিয়মের আওতায়, দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস আগে পাঠানো হবে এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপ্‌ড কুকিং গ্যাস প্রস্তুতকেন্দ্রগুলিকেই।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে আচমকাই টান পড়েছে ভারতের রান্নার গ্যাসের জোগানে। বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগানে টান পড়ায় মুম্বইয়ের ২০ শতাংশ হোটেল এবং রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কেবল মুম্বই নয়, দেশের একাধিক শহরে বাণিজ্যিক গ্যাসের জোগান ব্যাহত হয়েছে। প্রভাব পড়েছে মূলত হোটেল, রেস্তরাঁগুলিতে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সোমবার রাতেই অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন কার্যকর করে কেন্দ্র। এই আইনের আওতায় নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আইন অনুযায়ী, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকায় রয়েছে পেট্রোলিয়াম এবং পেট্রোপণ্য। পেট্রোপণ্যের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসও রয়েছে। এ ছাড়া ওষুধ, সার, তৈলবীজ, তেল-সহ আরও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পণ্যের উল্লেখ রয়েছে এই তালিকায়। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের আওতায় সরকার এই পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

দেশে চাহিদার প্রায় ৮৮ শতাংশ পেট্রোপণ্যই আমদানি করে ভারত। তার প্রায় ৫০ শতাংশ আসে ইরান ও ওমানের মধ্যেকার হরমুজ় প্রণালী দিয়ে, ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েতের মতো দেশ থেকে। আবার ভারতে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি হয় এই প্রণালীর মাধ্যমে। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই জলপথে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

LPG Gas Cylinder
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy