×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৮ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

দাসোর টাকায় প্রশিক্ষণ: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ১৬ জুলাই ২০১৯ ০৩:২১
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।—ছবি পিটিআই।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।—ছবি পিটিআই।

গোটা ভোট-পর্ব জুড়ে রাফাল যুদ্ধবিমান কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন রাহুল গাঁধী। নিজের শিল্পপতি বন্ধুকে প্রধানমন্ত্রী অফসেট বরাত পাইয়ে দিয়েছেন বলেও খড়গহস্ত হন। সেই অফসেটের টাকায় এখন এ দেশে দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া বলে আজ জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

লোকসভা ভোটের আগে এই নির্মলাই ছিলেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সংসদের ভিতরে ও বাইরে যখনই রাফাল নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল, নির্মলা বলতেন ‘অফসেটে’র বিষয়ে সরকারের কিছু জানা নেই। কারণ, রাফাল বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা দাসো কাদের অফসেটের বরাত দিয়েছে, সেটি ভারত সরকারকে এখনও জানানো হয়নি। অথচ আজই দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে ‘অর্থমন্ত্রী’ নির্মলা সেই অফসেটের টাকা কী ভাবে ব্যবহার হচ্ছে, তার হদিশ দিলেন।

দিল্লিতে আজ ‘দক্ষ ভারত’ প্রকল্পের চার বছর পূর্তির অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একগুচ্ছ মন্ত্রীর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লোকসভায় স্বরাষ্ট্র বিল পাশে ব্যস্ত থাকায় অমিত যেতে পারেননি। কিন্তু নির্মলা-সহ রবিশঙ্কর প্রসাদ, নরেন্দ্র সিংহ তোমর, মহেন্দ্রনাথ পাণ্ডে, রমেশ পোখরিয়ালেরা উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চেই দাসোর সঙ্গে নাগপুরের আইটিআই-এর একটি সমঝোতা স্বাক্ষর হয়। যার মাধ্যমে ত্রিশ হাজার ভারতীয়কে দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দাসোর কর্তারাও সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।

Advertisement

এর পরেই নির্মলা রাহুল গাঁধীর নাম না করে আক্রমণ করে বলেন, ‘‘আমরা দক্ষতার প্রশিক্ষণের জন্য দাসো রাফাল চুক্তির অফসেটের টাকা ব্যবহার করছি। সে ব্যাপারে আমরা সমঝোতাও স্বাক্ষর করেছি। বিরোধীরা অভিযোগ করতেন, অফসেটের টাকা না কি কোনও এক ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে। আমি বলছি, এই অর্থ প্রশিক্ষণের জন্যই ব্যবহার করা হচ্ছে।’’

Advertisement