Advertisement
E-Paper

শবরীমালা সোনা ‘চুরি’: প্রধান পুরোহিতকে গ্রেফতার করল সিট! ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১, আলাদা মামলা করল ইডি

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। শবরীমালার গর্ভগৃহ ‘শ্রীকোভিল’-এর দেওয়াল এবং দ্বারপালকের মূর্তি থেকে সোনা উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৫
কেরলের শবরীমালা মন্দির। ফাইল চিত্র।

কেরলের শবরীমালা মন্দির। ফাইল চিত্র।

শবরীমালা সোনা ‘চুরি’ কাণ্ডে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কান্ডারারু রাজীবারুকে গ্রেফতার করল কেরল হাই কোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। সূত্রের খবর, প্রধান পুরোহিতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জিজ্ঞাসাবাদ করছিল সিট। শুক্রবার সিট সূত্রে জানানো হয়, মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টি এবং ত্রাবাঙ্কোর দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি পদ্মকুমারের বয়ানের ভিত্তিতে প্রধান পুরোহিতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তকারী দলের দাবি, মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণনের সঙ্গে প্রধান পুরোহিতের ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। তাঁরই সহযোগিতায় মন্দিরের বিগ্রহের সোনা ‘চুরি’ হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। প্রধান পুরোহিত রাজীবারুকে তার পরই গ্রেফতার করা হল। এই নিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য দিকে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) শরবীমালার সোনা ‘চুরি’র ঘটনায় আলাদা ভাবে আর্থিক তছরুপের মামলা দায়ের করল শুক্রবার।

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। শবরীমালার গর্ভগৃহ ‘শ্রীকোভিল’-এর দেওয়াল এবং দ্বারপালকের মূর্তি থেকে সোনা উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ২০১৯ সালে বিগ্রহের ওজন ছিল ৪২ কেজি ৮০০ গ্রাম। কিন্তু পরে দেখা যায়, বিগ্রহের ওজন হয়ে গিয়েছে ৩৮ কেজি ২৫৮ গ্রাম! কী ভাবে বিগ্রহের ওজন হ্রাস পেল, তা জানতে চেয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই ঘটনার তদন্তেই উঠে আসে স্পনসর উন্নিকৃষ্ণনের নাম।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিগ্রহের মেরামতির জন্য ২০১৯ সালের জুলাই মাসে একবার মন্দিরের দ্বারপালক মূর্তি এবং দরজার সোনার আবরণ খোলা হয়েছিল। সে সময় সোনার ওজন ছিল ৪২.৮ কেজি। পরদিন ওই সোনা চেন্নাইয়ের একটি সংস্থায় পাঠানোর জন্য উন্নিকৃষ্ণনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু সোনা চেন্নাইয়ে পৌঁছোয় ৩৯ দিন পর। সে সময় ওজন করতে গিয়ে দেখা যায় সোনার ওজন হয়ে গিয়েছে ৩৮.২৫ কেজি। অর্থাৎ, ৪.৫৪ কেজি সোনা উধাও! তদন্ত জানা যায়, মন্দিরের হিসাবরক্ষকেরা রেকর্ডে সোনার প্রলেপ দেওয়া মূর্তিগুলিকে ‘তামার তৈরি’ বলে লিখেছিলেন। ফেরত দেওয়ার সময় মূর্তিগুলি ঠিক ভাবে ওজনও করে দেখা হয়নি। যার ফলে বছরের পর বছর ধরে অলক্ষিতই রয়ে যায় সোনা উধাওয়ের বিষয়টি।

Sabarimala Case
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy