Advertisement
E-Paper

কাস্টমসের সিন্দুক থেকে উধাও ৫৫ লক্ষের বৈদেশিক মুদ্রা,বাজেয়াপ্ত অর্থ খুঁজতে পুলিশের শরণাপন্ন দফতর

শুল্ক দফতরের সিন্দুক থেকেই গায়েব ৫০ হাজার ইউরো! ভারতীয় টাকায় যার বর্তমান মূল্য ৫৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। দফতরের সিন্দুক থেকে স্রেফ ভোজবাজির মত হাওয়া হয়ে যাওয়া ইউরোর হদিস না পেয়ে শেষে পুলিশের শরণাপন্ন শুল্ক আধিকারিকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৩:৪৭
Forex seized by customs missing from chest in Kolkata airport

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

শুল্ক দফতরের সিন্দুক থেকেই গায়েব ৫০ হাজার ইউরো! ভারতীয় টাকায় যার বর্তমান মূল্য ৫৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। দফতরের সিন্দুক থেকে স্রেফ ভোজবাজির মত হাওয়া হয়ে যাওয়া ইউরোর হদিস না পেয়ে শেষে পুলিশের শরণাপন্ন শুল্ক আধিকারিকেরা।

শুল্ক দফতর (কাস্টমস্) সূত্রে খবর, এই ঘটনার সূত্রপাত আজ থেকে এক যুগ আগে, ২০১৪ সালে। উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা রাজকুমার দাস ব্যাঙ্কক যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ৫০ হাজার ইউরো পান শুল্ক আধিকারিকেরা। বেআইনি ভাবে শুল্ক দফতরকে না জানিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার করার অভিযোগে ওই ইউরো বাজেয়াপ্ত করে শুল্ক দফতর। তদন্তে জানা যায়, ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে রাজকুমার দাস অন্য এক ব্যক্তির ওই টাকা পৌঁছে দিচ্ছিলেন ব্যাঙ্ককে। বাজেয়াপ্ত হওয়ার সময়ে ওই ইউরোর ভারতীয় টাকায় মূল্য ছিল ৪১ লক্ষ ৫২ হাজার।

ওই বৈদেশিক মুদ্রা আইন মোতাবেক জরিমানা দিয়ে ছাড়ানোর চেষ্টাও চলে, তবে শেষ পর্যন্ত পুরোটাই বাজেয়াপ্ত করে শুল্ক দফতর। নিয়ম অনুযায়ী ২০২১ সালে বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি জানানো হয় বারাসত আদালতকেও। তারপর ২০২৩ সালে শুল্ক দফতরের অভ্যন্তরীণ নিয়ম অনুযায়ী সেই টাকা বিমানবন্দর থেকে ব্যাঙ্কের হেফাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতেই হতবাক হয়ে যান শুল্ক আধিকারিকরা। বৈদেশিক মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করেছিল শুল্ক দফতরের এয়ার ইনটেলিজেন্স ইউনিট। তাদের লোহার সিন্দুকেই রাখা ছিল ওই ইউরো। কিন্তু সিন্দুক থেকে গায়েব সেই মুদ্রা। শুল্ক দফতরের তদন্তকারীরা হদিস পেতে তদন্ত শুরু করেন এবং দেখেন ওই সিন্দুক খোলা বন্ধ সংক্রান্ত নথিতেও কারচুপি করা হয়েছে এবং তথ্য নষ্ট করা হয়েছে। ফলে অভ্যন্তরীণ তদন্তে ধরা পড়েনি কে ওই টাকা গায়েব করেছেন। শুল্ক দফতরের এক আধিকারিকের ইঙ্গিত, বাইরের কারও পক্ষে এই অর্থ সরানো সম্ভব নয়। দফতরের ভিতরেই কেউ এর সঙ্গে যুক্ত।

শুল্ক দফতরের অভ্যন্তরীণ তদন্তের শেষে, বিমানবন্দরে শুল্ক দফতরের সহকারী কমিশনার (এয়ার ইনটেলিজেন্স ইউনিট) অনিলকুমার দাস, ৫ জুন বিমানবন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্তের পর ১১ জুন ওই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর রুজু করেছে পুলিশ এবং তদন্ত শুরু করেছে। ১২ বছর পুরনো ঘটনায় এই অর্থ উদ্ধার করা বা চোর ধরা যে সহজ কাজ নয় তা মানছেন পুলিশ আধিকারিকেরাও।

Kolkata Police Forex Customs Kolkata Airport Calcutta Customs
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy