Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

দেশ

ইঞ্জিনিয়ার হয়েও অভিনয়ে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বলিউডের এই ব্যর্থ নায়কের দিকেই তাকিয়ে তাঁর দল

নিজস্ব প্রতিবেদন
০৪ অক্টোবর ২০২০ ১৬:০৮
ছোট থেকেই চুম্বকের মতো আকর্ষণ করত বলিউড। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চলত অভিনয়ের মহড়া। তাই ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পরেও ইচ্ছে হয়নি চাকরি করার। বরং, পা রেখেছিলেন বলিউডে।

কিন্তু একটি ব্যর্থ ছবির নায়ক হওয়ার পরেই বিদায় জানান বলিউডকে। বাবার মতোই রাজনীতিক-জীবন বেছে নিয়েছেন চিরাগ পাসোয়ান।
Advertisement
লোক জনশক্তি পার্টির নেতা রামবিলাস পাসওয়ানের ছেলে চিরাগের জন্ম ১৯৮২ সালের ৩১ অক্টোবর। চিরাগের শৈশব কেটেছে বিহার ও দিল্লিতে। তাঁর মা রীণা ছিলেন এয়ারহোস্টেস। তিনি রামবিলাস পাসোয়ানের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী।

প্রথম স্ত্রী রাজকুমারী দেবীর সঙ্গে রামবিলাসের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল ১৯৮১ সালে। রামবিলাস এবং রাজকুমারীর দুই মেয়ে, নিশা ও ঈশা।
Advertisement
রামবিলাস ও রীণার দুই সন্তান। ছেলে চিরাগ এবং মেয়ে আশা। দিল্লির এয়ারফোর্স গোল্ডেন জুবিলি ইনস্টিটিউট থেকে পাশ করার পরে চিরাগের পড়াশোনা বুন্দেলখণ্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কম্পিউটার সায়েন্সে বি টেক করেন তিনি।

২০১১ সালে মুক্তি পায় চিরাগের এখনও অবধি একমাত্র ছবি ‘মিলে না মিলে হম’ ছবি।

এই ছবির বাকি কুশীলবরা ছিলেন কঙ্গনা রানাউত, নীরু বাজওয়া এবং সাগরিকা ঘাটগে।

বক্স অফিসে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয় ছবিটি। এরপর আর কোনও ছবিতে অভিনয় করেননি চিরাগ। পরের বছর তিনি পা রাখেন রাজনীতিতে।

২০১৪ সালে লোক জনশক্তি পার্টির হয়ে তিনি লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিহারের জামুই কেন্দ্র থেকে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরজেডি  প্রার্থীকে তিনি পরাজিত করেন ৮৫ হাজারের বেশি ভোটে।

২০১৮ সালে রামবিলাস পাসোয়ান ঘোষণা করেন, তিনি আর কোনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। সে বছরই লোক জনশক্তি পার্টির জাতীয় সভাপতি ঘোষণা করা হয় চিরাগকে।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও জামুই আসন থেকে জয়ী হন চিরাগ। আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও অগ্রণী মুখ দলের সভাপতি চিরাগ-ই। বিহারকে দেশের এক নম্বর রাজ্যের স্থানে নিয়ে যাওয়াই তাঁদের দলের লক্ষ্য।

রাজনীতির পাশাপাশি চিরাগ একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালনা করেন। বিলাসবহুল গাড়ির শখও আছে তাঁর।

গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের দল ‘লোক জনশক্তি পার্টি’-র সঙ্গে আসন বাঁটোয়ারা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন বিজেপি নেতারা। অসুস্থ রামবিলাস দিল্লির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর ছেলে চিরাগ এবং ভাইপো প্রিন্স রাজের সঙ্গে বিজেপি সভাপতি জে পি নড্ডাও কথা বলেন।

বিজেপি সূত্রের খবর, এলজেপিকে ২৯টি আসন ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও প্রিন্স রাজি হননি। এই পরিস্থিতিতে নীতীশের সঙ্গে বোঝাপড়া চূড়ান্ত করেছে বিজেপি। সূত্রের খবর, শনিবার রাতে পটনায় দু’দলের বৈঠকে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। আলোচনায় ঠিক হয়েছে বিহার বিধানসভার ২৪৩ আসনের মধ্যে জেডি(ইউ)পাবে ১২৪টি। বিজেপি লড়বে ১১৯টি আসনে।

বিহারে এনডিএ জোটের নয়া শরিক, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতনরাম মাঁঝির ‘হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চা’ (হাম)-কে নীতীশের দলের কোটা থেকেই কয়েকটি আসন দেওয়া হবে। শীঘ্রই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে বলে বিজেপি সূত্রের খবর।