Advertisement
E-Paper

মার্কিন ‘সুরক্ষা ছাতা’ ফুটো করে আছড়ে পড়ছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র! আমেরিকা থেকে মুখ ফেরাবে উপসাগরের ‘বন্ধু’রা?

আরব মুলুকের মার্কিন সুরক্ষার নিশ্চয়তাকে ভেঙে খান খান করে দিয়েছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন। তেহরানের রোষ থেকে বাঁচতে বিকল্প অনুসন্ধান করবে পশ্চিম এশিয়া? না কি নিজের অস্তিত্ব ধরে রাখতে সক্ষম হবে যুক্তরাষ্ট্র?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৪
US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০১ / ১৯

কখনও সৌদি আরব, কখনও আবার কুয়েত, কাতার বা বাহরিন। পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে বেছে বেছে নিশানা করছে ইরান। তেহরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধ্বংস হয়েছে আমেরিকার আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থার কোটি কোটি ডলার মূল্যের রেডার। শুধু তা-ই নয়, আরব রাষ্ট্রগুলির অপরিশোধিত তেলের সংশোধনাগার এবং খনিতে আক্রমণ শানাতে দেখা যাচ্ছে তাদের। ফলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০২ / ১৯

আমেরিকা ও ইজ়রায়েল বনাম ইরান যুদ্ধে পশ্চিম এশিয়ার উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলির এখন শাঁখের করাত দশা! এত দিন দিব্যি মার্কিন নিরাপত্তার ছাতার তলায় থেকে খনিজ তেল বিক্রির টাকায় একের পর এক চোখ ধাঁধানো শহর গড়ে তুলছিল তারা। ফলে অচিরেই দুনিয়ার ধনকুবেরদের একাংশের ‘সেকেন্ড হোম’ হয়ে ওঠে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত বা বাহরিন। কিন্তু সেই নিরাপত্তার ছাতাই যে এখন তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা বলা বাহুল্য।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৩ / ১৯

পশ্চিম এশিয়ার আরব মুলুকগুলিতে এখনও টিকে আছে রাজতন্ত্র। সেখানকার কোনও দেশেরই সেনাবাহিনী খুব শক্তিশালী নয়। এর ফলে আমেরিকার সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি করে তারা। ফলস্বরূপ সৌদি থেকে বাহরিন, কাতার বা কুয়েতে সামরিক ছাউনি গড়ে তোলে যুক্তরাষ্ট্র। সংঘাত পরিস্থিতিতে ইরানের সাফ কথা, আরব দুনিয়ায় বন্ধ হোক ওই সমস্ত সামরিক ঘাঁটি। সেই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলির ঝাঁ চকচকে শহর, তৈলক্ষেত্র এবং সেনা ছাউনিগুলিকে নিশানা করছে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৪ / ১৯

সামরিক বিশেষজ্ঞেরা মনে করেন, আরব রাষ্ট্রগুলির পক্ষে মার্কিন ফৌজ সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশ কঠিন। কারণ, সব সময়েই সেনা অভ্যুত্থানের আতঙ্কে ভোগেন সেখানকার রাজ পরিবারগুলির সদস্যেরা। দ্বিতীয়ত, উপসাগরীয় দেশগুলির একমাত্র উপার্জনের জায়গা হল অপরিশোধিত খনিজ তেল। বিশ্ব বাজারে তা বিক্রি হয় ডলারে। ঘাঁটি সরাতে বললে সেই অর্থ রোজগারের সুবিধা থেকে তাদের বঞ্চিত করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ধসে যেতে পারে সৌদি, আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত বা বাহরিনের অর্থনীতি।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৫ / ১৯

নিরাপত্তার প্রশ্নে বরাবরই বিদেশি শক্তির উপর নির্ভরশীল থেকেছে আরব দুনিয়া। গত শতাব্দীর ৬০-এর দশক পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা দিত ব্রিটিশ ফৌজ। ১৯৬৯ সালে ‘নিক্সন ডকট্রিন’ ঘোষণার পর সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুধু তা-ই নয়, ওই সময় বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকেও নিরাপত্তায় অবদান রাখতে আহ্বান জানিয়েছিল আমেরিকা। গোড়ার দিকে পারস্য উপসাগরে ‘দুই স্তম্ভ’ বা ‘টু পিলার্স’ নীতি নিয়ে চলছিল ওয়াশিংটন। এর এক দিকে ছিল সৌদি আরব এবং অপর দিকে ইরান।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৬ / ১৯

কিন্তু, ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবে বদলে যায় যাবতীয় হিসাব। রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে ইসলামীয় প্রজাতন্ত্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে তেহরান। এর মাথায় ছিলেন শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা রুহুল্লা খোমিনি। তিনি কুর্সিতে বসতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব গা থেকে পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলে সাবেক পারস্যের শাসনযন্ত্র। তখন থেকেই আঞ্চলিক ভারসাম্যে ফাটল চওড়া হচ্ছিল।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৭ / ১৯

ইসলামীয় বিপ্লবের এক বছরের মধ্যেই প্রতিবেশী ইরাকের সঙ্গে ভয়ঙ্কর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ইরান। টানা আট বছর চলেছিল সে যুদ্ধ। ১৯৮০ সালে মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া বার্ষিক ভাষণে (যার পোশাকি নাম স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন) পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তার প্রসঙ্গটি তোলেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার। সেখানে তেহরানের ইসলামীয় বিপ্লবের আঁচ লাগবে না বলে আরব রাষ্ট্রগুলিকে আশ্বাস করেছিলেন তিনি।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৮ / ১৯

‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’-এর ভাষণে কার্টার বলেন, ‘‘ইরানি বিপ্লবের পর টু পিলার্স নীতি যৌক্তিকতা হারিয়েছে। তবে উপসাগরীয় সমস্ত আরব রাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা বিষয়ক স্বার্থ অবশ্যই দেখবে আমেরিকা। বাইরের কোনও শক্তি পারস্য উপসাগরীয় এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেতে চাইলে সেটাকে আমরা আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করব। সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর।’’ তাঁর ওই মন্তব্য ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ করেছিল।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
০৯ / ১৯

১৯৮১ সালের মে মাসে পশ্চিম এশিয়ায় গড়ে ওঠে ‘উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ’ বা জিসিসি (গাল্ফ কো-অপারেটিভ কাউন্সিল)। এর সদস্য রাষ্ট্র হল বাহরিন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং আমিরশাহি। জন্মলগ্ন থেকেই সংশ্লিষ্ট সংগঠনটি ইরাক এবং ইরান— এই দু’টি দেশকে শত্রু হিসাবে মেনে নিয়েছিল। কারণ, প্রথমটির শাসক কিংবদন্তি সাদ্দাম হুসেন ছিলেন যুদ্ধবাজ। অন্য দিকে শিয়া ধর্মতত্ত্ব প্রচার ও প্রসারে জোর দিচ্ছিল তেহরান, যেটা আদর্শগত দিক থেকে সুন্নি ইসলামি আরব মুলুকগুলির পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন হচ্ছিল।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১০ / ১৯

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পারস্য উপসাগরের এক দিকে ইরান এবং অপর দিকে সৌদি, আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত, বাহরিন এবং ওমানের অবস্থান হওয়ায় ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নিয়েও জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে তেহরানের বিবাদ রয়েছে। ফলে ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতাকে দূরে সরিয়ে রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে একের পর এক ঘাঁটি গড়ে তোলার অনুমতি দেয় তারা। তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি লক্ষ করেও এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কোনও তাগিদ কখনও অনুভব করেনি ওই সমস্ত আরব মুলুক।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১১ / ১৯

১৯৯০ সালে সাদ্দামের নির্দেশে কুয়েত দখল করে ইরাকি সেনা। সঙ্গে সঙ্গেই উপসাগরীয় আরব মুলুকটিকে বাঁচাতে ছুটে আসে মার্কিন যু্ক্তরাষ্ট্র। পশ্চিম ইউরোপের বন্ধু দেশগুলিকে সঙ্গে নিয়ে ১৯৯১ সালে সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করে ওয়াশিংটন। এর পোশাকি নাম ছিল ‘অপারেশন ডেজ়ার্ট স্টর্ম’ (মরু ঝড়)। এতে রীতিমতো উড়ে যায় বাগদাদের বাহিনী। মাত্র সাত মাসের মধ্যে কুয়েত দখলমুক্ত হওয়ায় আমেরিকার নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির উপর পশ্চিম এশিয়ার আরব রাষ্ট্রগুলির ভরসা যে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১২ / ১৯

১৯৯১-এর কুয়েত যুদ্ধের পরই যুক্তরাষ্ট্রকে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি তৈরির জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে শুরু করে একাধিক উপসাগরীয় রাষ্ট্র। ১৯৯৫ সালে বাহরিনে পঞ্চম নৌবহর পাঠায় আমেরিকা। পরের বছর (পড়ুন ১৯৯৬ সাল) কাতারের আল-উদেইদে বিশাল একটা বায়ুসেনা ঘাঁটি নির্মাণ করে ওয়াশিংটন। ২০০৩ সালে সেখানে স্থানান্তরিত হয় মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড ‘সেন্টকম’-এর সদর দফতর। ওই বছরের ইরাক যুদ্ধ এবং সাদ্দামের পতনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৩ / ১৯

১৯৯৯ সালে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতামূলক প্রতিরক্ষা উদ্যোগ বা সিডিআই (কোঅপারেটিভ ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ) চুক্তি করে আমেরিকা। এর মাধ্যমে মিশর, জর্ডন এবং জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলির বাহিনীকে একীভূত করতে সক্ষম হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি, গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি শুরু করে এই সমস্ত রাষ্ট্র। ২০০৬ সালে আরব দুনিয়ার নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করতে ওয়াশিংটন কর্তৃক চালু হয় উপসাগরীয় নিরাপত্তা সংলাপ বা জিএসডি (গালফ সিকিউরিটি ডায়লগ)। জিসিসি সদস্যদের তা আরও ভরসা জুগিয়েছিল।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৪ / ১৯

২০১৭ সালের মে মাসে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধে হওয়া আমেরিকা-জিসিসি শীর্ষ সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ায় কৌশলগত জোট বা মেশা (মিডল-ইস্ট স্ট্যাটেজিক অ্যালায়েন্স) তৈরির প্রস্তাব উঠেছিল। তাতে মিশর ও জর্ডনকে অন্তর্ভুক্ত করতে রাজি ছিল আরব দুনিয়া। ফলে অচিরেই ‘আরব নেটো’ গড়ে উঠবে বলে মনে করেছিলেন সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও ২০১৭ সালের জুনে কাতারের উপর কূটনৈতিক অবরোধের জেরে তা কার্যকর হয়নি।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৫ / ১৯

২০১১ সালে বাহরিনে সরকার-বিরোধী আন্দোলন তীব্র হলে সেনা অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। বিশ্লেষকদের কথায়, পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার নিরাপত্তার আশ্বাস টোল খায় ২০২৫ সালে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে কাতারের রাজধানী দোহায় ইরান মদতপুষ্ট প্যালেস্টাইনপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামাসের গুপ্তঘাঁটিতে বিমানহানা চালায় ইজ়রায়েল। ইহুদিদের ওই হামলার সময় চোখ বুজে ছিল ওয়াশিংটন।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৬ / ১৯

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর প্যালেস্টাইনের গাজ়া থেকে ইজ়রায়েলে ঢুকে মারাত্মক হামলা চালায় হামাস। সেই আক্রমণে প্রাণ হারান ১,২০০-র বেশি নিরীহ মানুষ। প্রায় ২৫০ জনকে অপহরণ করে নিজেদের গুপ্তঘাঁটিতে নিয়ে যায় ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন ইহুদি প্রধানমন্ত্রী বে়ঞ্জামিন নেতানিয়াহু। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, এই ঘটনা পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন নিরাপত্তা ছাতার ফুটোগুলিকে আরও স্পষ্ট করেছিল।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৭ / ১৯

হামাস-ইজ়রায়েল যুদ্ধের মধ্যেই ইহুদিদের বিনাশ করতে ২০২৪ সালে ক্ষেপণাস্ত্রে আক্রমণ শানায় ইরানের শিয়া ফৌজ। সেগুলি জর্ডনের উপর দিয়ে তেল আভিভ এবং হাইফায় আছড়ে পড়ছিল। তেহরানকে শিক্ষা দিতে পাল্টা লড়াকু জেট নিয়ে উপসাগরীয় দেশটিকে বোমাবর্ষণ করতে নামে ইজ়রায়েলি বায়ুসেনা। তখনও জর্ডনের উপর দিয়েই উড়ে যেতে হয়েছিল তাদের। ওই সময় কোনও রকমের যুক্তরাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পায়নি আম্মান।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৮ / ১৯

বর্তমান পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে আরব মুলুকগুলির কাছে বেশ কয়েকটা বিকল্প রয়েছে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে অন্য কোনও ‘নিরাপত্তা ছাতা’ খুঁজতে পারে তারা। এ ক্ষেত্রে তাদের পছন্দের তালিকায় রাশিয়া ও চিনের থাকার সম্ভাবনা বেশি। ২০২৩ সালের মার্চে বেজিঙের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তিতে সই করেছিল সৌদি আরব ও ইরান। ফলে ড্রাগনকে এন্ট্রি দিয়ে তেহরানের কোপ থেকে বাঁচার সুযোগ রয়েছে তাদের।

US security guarantee for Gulf Nations is hit by Iran during war in West Asia
১৯ / ১৯

যদিও এর উল্টো যুক্তি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন, ডলারের কথা মাথায় রেখে কখনওই এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না কোনও উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্র। তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মতো ড্রাগনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। আর তাই তৈলক্ষেত্রগুলিকে আপাতত রক্ষা করাই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় সেটাই এখন দেখার।

সব ছবি: সংগৃহীত।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy