সোফায় বসে মোবাইলে রিল দেখছিল চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া। তার মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল সে। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলার। মৃতের নাম ময়ঙ্ক। তার বয়স ১০। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে শিশুটির।
রবিবার সন্ধ্যায় সোফায় বসে মোবাইল দেখছিল ময়ঙ্ক। ঘরে পরিবারের বাকি সদস্যেরাও ছিলেন। পরিবারের এক সদস্যের চোখ পড়ে ময়ঙ্কের উপর। ভেবেছিলেন, রিল দেখতে দেখতে ঝিমুনি আসছে। তাই ঢুলে পড়ছে। আচমকাই সোফা থেকে মেঝেতে পড়ে যায় ময়ঙ্ক। প্রথমে পরিবারের সদস্যেরা ভেবেছিলেন, মাথা ঘুরে যাওয়ায় অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে সে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিবারের জ্যেষ্ঠপুত্র ছিল ময়ঙ্ক। বাবা, মা আর ভাই শিবমের সঙ্গে থাকত সে। ময়ঙ্কের বাবা দীপক কুমার জানিয়েছেন, ছেলে সোফায় বলে মোবাইল দেখছিল। নিজে নিজেই হাসছিল। হঠাৎ তাঁরা দেখেন ময়ঙ্ক সোফা থেকে ঢুলে মেঝেতে পড়ে গেল। তাঁরা ভেবেছিলেন মাথা ঘুরে গিয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যেতেই চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন মৃত্যু হয়েছে ময়ঙ্কের। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে শিশুটির।
শিশুদের হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা সম্প্রতি দেশের নানা প্রান্তে ঘটছে। স্কুলের ক্লাস চলাকালীন হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে পড়ুয়ার। বাস্কেটবল খেলতে খেলতে আচমকাই হার্ট অ্যাটাক হয়, তার পরই মৃত্যু হয় এক কিশোরের। শিশুদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কেন বাড়ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরাও।