আগামী ১৬ মার্চ ১০টি রাজ্যে ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের ভোট। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রে সাতটি আসন ফাঁকা হতে চলেছে। বিধানসভার আসনের যা অবস্থা তাতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের ছ’টি পাওয়ার কথা। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা, কংগ্রেস এবং শরদ পওয়ারের এনসিপির একটির বেশি আসন পাওয়া কঠিন। সূত্রের খবর, এই একটি আসন নিয়েই দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে বিরোধীদের মধ্যে। উদ্ধবের দল ও কংগ্রেস, দুই পক্ষই ওই আসনটির দাবিদার। বোঝাপড়ার সূত্র চূড়ান্ত করতে শীঘ্রই দিল্লিতে বৈঠকে বসতে পারেন দু’দলের নেতৃত্ব। উদ্ধবও যেতে পারেন দিল্লিতে।
যে সাতটি আসন ফাঁকা হচ্ছে সেগুলির মধ্যে কংগ্রেসের হাতে এখন দু’টি আসন রয়েছে। উদ্ধবের শিবসেনা এবং শরদের এনসিপির হাতে রয়েছে একটি করে। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, সে কারণে কংগ্রেসের দাবি রয়েছে আসনটিতে। আবার উদ্ধবদের যুক্তি, এখন মহারাষ্ট্র বিধানসভাতে বিরোধী দলগুলির মধ্যে তাদের আসন সবচেয়ে বেশি, ২০টি। কংগ্রেসের রয়েছে ১৬টি এবং শরদের এনসিপির ১০টি আসন। উদ্ধবের দলের এই যুক্তির পরে একটি পাল্টা চাল দিয়েছে কংগ্রেস। রাজ্যসভার পাশাপাশি সে রাজ্যে বিধান পরিষদেরও ন’টি আসন ফাঁকা হচ্ছে। অঙ্কের বিচারে সেখানেও বিরোধীদের একটিতে জেতার কথা। কংগ্রেস বলছে রাজ্যসভা অথবা বিধান পরিষদ, যে কোনও একটিতে আসন চাই তাদের। অথচ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব নিজে বিধান পরিষদের সদস্য। তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কংগ্রেসকে আসনটি দিলে তাঁর বিধান পরিষদে ফেরা কার্যত অসম্ভব। এই নিয়েই উত্তাপ বাড়ছে বিরোধী জোটে।
এই পরিস্থিতিতে শরদের এনসিপি নিশ্চুপ। সাবেক এনসিপির এখনকার অভ্যন্তরীণ সমীকরণে একে স্বাভাবিক বলে ভাবতে পারছে না রাজনৈতিক মহল। মাঝে উদ্ধবের শিবসেনার সঞ্জয় রাউত দাবি করেছিলেন, রাজ্যসভায় তাঁরাই প্রতিনিধি পাঠাতে চলেছেন। কিন্তু কংগ্রেসের দাবির পরে তিনি চুপ। সঞ্জয়ের বক্তব্য, ‘‘কংগ্রেসের সঙ্গে কথাবার্তা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। ওদের সিদ্ধান্ত হয় দিল্লি থেকে। আমাদের মুম্বইয়ে। সময় তো কিছুটা লাগবেই।’’ সংবাদ সংস্থা
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)