E-Paper

৮০০ বছরের মন্দির ভাঙায় বিতর্ক তেলঙ্গানায়

স্থানীয়দের দাবি, খানাপুর মণ্ডলের অন্তর্গত অশোকনগর গ্রামে অবস্থিত ওই মন্দিরটি কাকতীয় যুগে গণপতি দেবের রাজত্বকালে গড়ে তোলা হয়েছিল। সেই মন্দিরটি সম্প্রতি ভেঙে ফেলার পাশাপাশি সেখানে একটি স্কুল গড়ে তোলার তোড়জোড় দেখে স্থানীয়েরা প্রতিবাদ শুরু করেন।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ০৮:৩৩

—প্রতীকী চিত্র।

প্রায় ৮০০ বছরেরও পুরনো একটি শিব মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে তেলঙ্গানার ওয়ারাঙ্গলে। সূত্রের খবর, মন্দিরটি ভেঙে স্কুল গড়ে তোলার তোড়জোড় করছে রাজ্য সরকার। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং সাধারণ মানুষ এই বিক্ষোভের জেরে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক হস্তক্ষেপ করেছে।

স্থানীয়দের দাবি, খানাপুর মণ্ডলের অন্তর্গত অশোকনগর গ্রামে অবস্থিত ওই মন্দিরটি কাকতীয় যুগে গণপতি দেবের রাজত্বকালে গড়ে তোলা হয়েছিল। সেই মন্দিরটি সম্প্রতি ভেঙে ফেলার পাশাপাশি সেখানে একটি স্কুল গড়ে তোলার তোড়জোড় দেখে স্থানীয়েরা প্রতিবাদ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকারের কাছে ওই মন্দিরটি পুনরুদ্ধারের জন্য বার বার আবেদন করা হলেও কোনও সদুত্তর মেলেনি। এর ফলে দিনে দিনে ঐতিহাসিক ওই মন্দিরটির দশা আরও জরাজীর্ণ হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা এ-ও অভিযোগ করেছেন, বহু বার গুপ্তধনের খোঁজে মন্দিরে বিস্ফোরণও ঘটানো হয়েছে। তবে এ বার মন্দিরের উপরে সরাসরি কোপ পড়ায় স্থানীয়দের বক্তব্য, প্রত্নতত্ত্ব দফতরের হস্তক্ষেপ ছাড়া কী ভাবে এমন একটি মন্দির গুঁড়িয়ে দেওয়া হল?

এই মন্দিরে হাত পড়ার পরেই ‘ন্যাশনাল মনুমেন্টস অথরিটি’র দ্বারস্থ হন তেলঙ্গানার এক আইনজীবী রামা রাও। তাঁর অভিযোগ,প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বাধ্যতামূলক অনুমোদন ছাড়াই ওই মন্দির ভেঙে ফেলা হয়েছে।

এ দিকে, দিল্লির ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং ঐতিহ্যবাহী (হেরিটেজ) স্থানগুলি রক্ষণাবেক্ষণে চরম অবহেলা এবং সেখানে বেআইনি দখলদারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই ধরনের কয়েকটি স্থান বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার ফলেও বিস্মিত সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ কোর্টের মতে, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও হেরিটেজ স্থানগুলিকে পুরোপুরি অবহেলা করা হয়েছে। বেঞ্চ জানিয়েছে, হেরিটেজ স্থানে দখলদারি ও ভাঙচুর হলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Heritage temple

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy