×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১০ মে ২০২১ ই-পেপার

দেশ

দেশ জুড়ে চিতা বহ্নিমান। কোথাও জ্বলছে গণচিতা। কোথাও চিতার লেলিহান আগুন ছুঁয়েছে আকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৩ এপ্রিল ২০২১ ১৩:৫২
অতিমারির তাণ্ডবে শ্মশানে চিতার সারি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধরা পড়েছে একই ছবি। দিল্লির এক শ্মশানে চলছে কোভিডে মৃত রোগীর শেষকৃত্যের প্রস্তুতি।

রাঁচির স্বর্ণরেখা শ্মশানঘাটে শেষকৃত্যের অপেক্ষায় সারিবদ্ধ নিথর দেহ। শেষ বারের মতো তাঁদের দেখতেও পারেননি প্রিয়জনরা।
Advertisement
কানপুরের ভৈরবঘাট শ্মশানে জ্বলছে অসংখ্য চিতা। দাহ হচ্ছে কোভিডে মৃত রোগীদের দেহ।

গাজিয়াবাদের হিন্দনঘাট শ্মশানে প্রকাশ্যেই পর পর রাখা আছে দেহগুলি। অতিমারির সঙ্গে যুদ্ধে তাঁরা পরাজিত।
Advertisement
কানপুরের মতো ভোপালের শ্মশানেও জ্বলছে সারিবদ্ধ চিতা। কোভিডে প্রাণ হারানো মানুষের অন্ত্যেষ্টি চলছে।

দিল্লির এক শ্মশানঘাটে গণচিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোভিডরোগীর দেহ সংখ্যায় বেড়ে যাওয়ায় দেখতে হচ্ছে এই নিদারুণ দৃশ্য।

বারাণসীর মণিকর্নিকা ঘাটেও একই ছবি। গঙ্গার পারে একের পর এক চিতা জ্বলছে।

 দিল্লির এক শ্মশানে চিতার লেলিহান আগুন প্রায় আকাশ ছুঁয়েছে। সৎকার করা হচ্ছে অতিমারিতে প্রাণ হারানো অসংখ্য মানুষের।

স্বাস্থ্যকর্মী এবং মৃতের পরিজনরা পিপিই পরেছেন। স্বজন হারানোর এই ছবি জম্মুর।

অবিরত চিতা বহ্নিমান নয়ডার শ্মশানেও। মৃত্যুমিছিলের যেন শেষ নেই।

মহারাষ্ট্রের এক শ্মশানঘাটে পর পর চিতায় পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে কোভিডে মৃতদের নশ্বর দেহ।

আমদাবাদের এক শ্মশানের ছবি। শেষ মুহূর্তে প্রিয়জনের অন্ত্যেষ্টিতে আত্মীয় পরিজনরা।

মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার ভাসাইয়ের শ্মশানেও দেখা গিয়েছে একই ছবি। সারিবদ্ধ চিতায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হচ্ছে কোভিডে মৃতদের।