সামরিক পরিভাষায় ‘সাবমেরিন-লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল’ (এসএলসিএম)। ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ( ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও)-র বিজ্ঞানীরা সেই ডুবোজাহাজ থেকে নিক্ষেপযোগ্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণে সফল হয়েছেন ইতিমধ্যেই।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে দাবি, দ্রুত ভারতীয় নৌসেনার জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন শুরু হতে চলেছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডুবোজাহাজ থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দেশের ‘পরমাণু প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ ‘মিউচুয়াল অ্যাসুরড ডিস্ট্রাকশন’ বা ‘ম্যাড’ (পরমাণু হামলার মুখে পড়লে সর্বশক্তি দিয়ে চূড়ান্ত পরমাণু প্রত্যাঘাত) নীতির অংশ। এর ‘ওয়ারহেড’ পরমাণু অস্ত্র বা সাধারণ শক্তিশালী বিস্ফোরফ বহনে সক্ষম।
আরও পড়ুন:
এই প্রযুক্তিতে ডুবোজাহাজের বিশেষ ধরনের টর্পেডো টিউবের মধ্যে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র রাখার ব্যবস্থা থাকে। একে ক্যাপসুল বলা হয়। শুত্রুপক্ষের নজরদারি এড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় বিশেষ স্টেলথ্ প্রযুক্তি। গভীর সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণের পরে প্রবল জলের চাপ (হাইড্রোস্ট্যাটিক প্রেসার) এড়িয়ে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে হয় ক্ষেপণাস্ত্রকে। ফলে প্রবল শক্তিতে উৎক্ষেপণের চাপ সহ্য করার প্রযুক্তি রয়েছে ওই ক্যাপসুলে। আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের মতো দেশ আগেই সেই প্রযুক্তি আয়ত্ত করেছে।