Advertisement
E-Paper

দিল্লি বিস্ফোরণ: নথি যাচাই না করে ভর্তি, ভুয়ো চিকিৎসক নিয়োগ, রোগীও ভুয়ো! আল ফালাহের বিরুদ্ধে ইডি-র চার্জশিট

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭০ জন চিকিৎসককে নিয়মবিরুদ্ধ ভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, ১৩ কোটি টাকার বিদেশি লেনদেনেরও হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি ইডির।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪২
আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে হরিয়ানার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তার চেয়ারম্যান জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, আল ফালাহে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তদন্তকারী সংস্থাগুলিকেও ভুল তথ্য দিয়ে নানা ভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ইডির দাবি, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজে বছরের পর বছর ধরে দুর্নীতি চলেছে। আর গোটা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতেন খোদ চেয়ারম্যান সিদ্দিকী।

চার্জশিটে আরও দাবি করা হয়েছে, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের নিয়ম পালনের বিষয়টি ছিল নামমাত্র। ভুয়ো চিকিৎসকও নিয়োগ করা হয়েছিল। যাঁদের মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে কোনও দিন দেখা যায়নি। শুধু তা-ই নয়, এই সব চিকিৎসকেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতেন না। শিক্ষকতা বা চিকিৎসার কাজও করতে না। সূত্রের দাবি, কিছু চিকিৎসক আবার জেরায় স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা বাড়ি থেকেই কাজ করতেন। আর এই পুরো ব্যবস্থাই অবৈধ ভাবে চলছিল। এই সব চিকিৎসককে নিয়োগে অনুমতি দিয়েছিলেন সিদ্দিকী নিজেই।

ইডির আরও দাবি, দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তথা চিকিৎসক উমর-উন নবিকেও নিয়োগ করেছিলেন চেয়ারম্যান সিদ্দিকী। তাঁকে নিয়োগের সময় কোনও তথ্য যাচাই করা হয়নি। পারিবার, ঠিকানা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পুলিশের সাহায্যে করে দেখা হয়নি। উমরের মতো আরও অনেককেই এ ভাবে তথ্য যাচাই ছাড়া নিয়োগ করা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যখন আল ফালাহ মেডিক্যাল কলেজে তদন্ত চলছিল, সেই সময় ভুয়ো রোগী নিয়ে আসা হয় বাইরে থেকে। আল ফালাহের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান ফরদিন বেগ দাবি করেছেন, আশাকর্মীদের মাধ্যমে ভুয়ো রোগী নিয়ে আসা হত টাকার বিনিময়ে।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭০ জন চিকিৎসককে নিয়মবিরুদ্ধ ভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, ১৩ কোটি টাকার বিদেশি লেনদেনেরও হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি ইডির। তদন্তকারী সংস্থাটির দাবি, ওই টাকা বিদেশে পাচার করেছেন সিদ্দিকী। শুধু তা-ই নয়, পুরো দুর্নীতির প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে চালানো হত। শুক্রবারই ইডি আল ফালাহের ৫৪ একর জমি, ফরিদাবাদে একটি মেডিক্যাল কলেজ বাজেয়াপ্ত করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর সামনে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ হয়। সেই ঘটনায় হামলার মূল অভিযুক্ত তথা চিকিৎসক উমর-সহ ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনায় চিকিৎসক উমরের সূত্র ধরে আল ফালাহের নাম উঠে আসে।

ED chargesheet
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy