গরম পড়ছে। রাস্তায় বেরোলেই চড়া রোদ। গরমে মাথায় ঘাম জমে চুলের আরও বেহাল দশা হচ্ছে। অফিসের তাড়াহুড়োতে সকালে স্নানটি সেরে ভিজে চুলটা কোনও রকমে ক্লিপ দিয়ে আটকে বা খোঁপা করেই বেরিয়ে পড়েন অনেকে। তার পর সারাদিন সেভাবেই দলা পাকিয়ে ভেজা চুল শুকোয়। এতে আরও বেশি জট পড়ে চুলে। ঘাম জমে মাথায় ছত্রাকের সংক্রমণও হয়। খুশকির সমস্যা বাড়ে। মাথার ত্বকে ব্রণ বা র্যাশও হতে পারে। তাই এই সময়ে চুলের যত্ন নিতে হবে বিশেষ উপায়ে।
দই, মধু ও লেবুর রসের মাস্ক
রঙের রাসায়নিকের কারণে মাথায় চুলকানি ও র্যাশ হয়। খুশকির সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। সে জন্য এমন হেয়ার মাস্ক মাখতে হবে যার অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল গুণ আছে। আধা কাপ দই, ১ চামচ মধু এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। লেবু ও দই মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখবে, মধু চুলের রুক্ষ ভাব দূর করবে।
আরও পড়ুন:
কলা-অলিভ অয়েলের মাস্ক
মিক্সিতে একটি পাকা কলা দিন। তার সঙ্গে মেশান ১ চামচ মধু এবং ১ চামচ অলিভ অয়েল। ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে তৈরি করে ফেলুন এই প্যাক। স্নানের আগে এই প্যাক মেখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।
নিম-লেবুর অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল মাস্ক
একমুঠো নিম পাতা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে বেটে নিন। এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস মেশান। এই মিশ্রণ ভাল করে মাথার ত্বকে মেখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিন দিন মাখলেই খুশকি দূর হবে, চুল নরম ও মসৃণ হবে।
অ্যালো ভেরা ও শসার ‘হাইড্রেটিং’ মাস্ক
গরমের সময়ে চুলে যে রুক্ষতা আসে এবং চুলের গোড়ায় ঘাম জমে গন্ধ হয়, তা দূর করতে পারে অ্যালো ভেরা। শসার রস মাথার ত্বকের ব্রণ-ফুস্কুড়ি দূর করতে পারে। এই দুই উপকরণ মিশিয়ে যে মাস্ক তৈরি হয় তা মাখলে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ২ চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে অর্ধেকটা শসার রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভাল করে মালিশ করতে হবে। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন।