Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৮ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

নালন্দায় খাপ পঞ্চায়েত থুতু চাটালো প্রৌঢ়কে

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের বাসিন্দা সুরেন্দ্র যাদবের বাড়িতে না বলেই ঢুকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা মহেশ ঠাকুর।

নিজস্ব সংবাদদাতা
পটনা ২১ অক্টোবর ২০১৭ ০৩:০২
Save
Something isn't right! Please refresh.
থুতু চাটানোর ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত।

থুতু চাটানোর ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত।

Popup Close

গৃহকর্তার আগাম অনুমতি ছাড়াই বাড়িতে ঢোকায় এক প্রৌঢ়কে থুতু চাটালেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর দলবল। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নিজের জেলা নালন্দার নুরসরাই থানা এলাকার আজাদপুর গ্রামে গত কাল ঘটনাটি ঘটেছে। থুতু চাটানোর ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই পুলিশ আট জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য বেশ কয়েক জায়গায় অভিযানও চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নালন্দার পুলিশ সুপার সুধীর কুমার পোডিকা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের বাসিন্দা সুরেন্দ্র যাদবের বাড়িতে না বলেই ঢুকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা মহেশ ঠাকুর। জাতপাতের বিহারে তাঁর পরিচিতি ‘নাই’ (নাপিত) হিসেবেই। এই ঘটনায় উত্তেজিত এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত সুরেন্দ্র যাদব। এর জেরে গ্রামে সালিশি সভা বসানো হয়। সেখানে হাজির ছিলেন গ্রামের মুখিয়া তথা স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানও। সালিশি সভায় মহেশ জানান, তিনি বিড়ি চাইতেই সুরেন্দ্রর বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাইরে কাউকে না দেখে ঘরে ঢুকে পড়েন। গ্রামের মাতব্বররা সে কথায় কান দেননি। সুরেন্দ্রের দাবি, বাড়িতে সে সময়ে শুধু মহিলারাই ছিলেন। কোনও খারাপ উদ্দেশ্য নিয়েই ঢুকেছিল মহেশ।

আরও পড়ুন: লক্ষ লক্ষ অকালমৃত্যু স্রেফ দূষণে! তালিকায় সবচেয়ে উপরে ভারত

Advertisement

সালিশি সভাতেই পঞ্চায়েত প্রধান দয়ানন্দ মাঁঝি সকলের পরামর্শে মহেশ ঠাকুরকে থুতু ফেলে তা চাটানোর শাস্তি দেন। একই সঙ্গে গ্রামের মহিলাদের দিয়ে তাঁকে ২৫ বার জুতোপেটা করার দণ্ডও দেওয়া হয়। সমস্ত ঘটনার ভিডিও তুলে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন স্থানীয় এক যুবক। এরপরেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনেরও নজরে আসে।

নালন্দার জেলাশাসক ত্যাগরাজন আজ বলেন, ‘‘আমরা নিজে থেকেই মহেশ ঠাকুরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এমন ঘটনা আইন বিরুদ্ধই শুধু নয়, অমানবিকও। প্রশাসনিক স্তরেও ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের কেউ ছাড়া পাবে না।’’ তবে নুরসরাই থানায় সুরেন্দ্র যাদবও মহেশ ঠাকুরের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের পাল্টা-অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement