Advertisement
E-Paper

‘অপুর পাঠশালা’য় ভর করে ঝাড়খণ্ডে প্রসারিত হচ্ছে বাংলা ভাষা, উদ্যোগে ঘাটশিলার বিভূতিভূষণ অনুরাগীরা

সম্প্রতি ঘাটশিলার অদূরে পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার আমলাশোল লাগোয়া ঘটিডুবা গ্রামে একটি ‘অপুর পাঠশালা’র উদ্বোধন করা হয়েছে। গ্রামের জগদ্ধাত্রী পূজা মণ্ডপের সাংস্কৃতিক মঞ্চে ঘটিডুবা গ্রামীণ কল্যাণ পরিষদের সহায়তায় ওই ‘অপুর পাঠশালা’-র উদ্বোধন হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ০১:২৬
ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলাবাসী বাঙালিদের সংগঠন ‘গৌরীকুঞ্জ উন্নয়ন সমিতি’র সক্রিয়তা এখন ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে বাংলা ভাষার প্রসারে।

ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলাবাসী বাঙালিদের সংগঠন ‘গৌরীকুঞ্জ উন্নয়ন সমিতি’র সক্রিয়তা এখন ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে বাংলা ভাষার প্রসারে। ছবি: সংগৃহীত।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনের এ নানা টুকরো ঘটনা তাঁর বাড়ি ‘গৌরীকুঞ্জ’-এর সাদা দেওয়ালে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁরা। ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলাবাসী বাঙালিদের সংগঠন ‘গৌরীকুঞ্জ উন্নয়ন সমিতি’র সক্রিয়তা এখন ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে বাংলা ভাষার প্রসারে। আর এই অভিযানে তাঁদের হাতিয়ার পথের পাঁচালির অমর চরিত্র ‘অপু’। তার নামের গড়ে তোলা হচ্ছে একের পর এক পাঠশালা।

সম্প্রতি ঘাটশিলার অদূরে পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার আমলাশোল লাগোয়া ঘটিডুবা গ্রামে একটি ‘অপুর পাঠশালা’র উদ্বোধন করা হয়েছে। গ্রামের জগদ্ধাত্রী পূজা মণ্ডপের সাংস্কৃতিক মঞ্চে ঘটিডুবা গ্রামীণ কল্যাণ পরিষদের সহায়তায় ওই ‘অপুর পাঠশালা’-র উদ্বোধন হয়। সেখানে হাজির ছিলেন গৌরীকুঞ্জ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি তাপস চট্টোপাধ্যায়, সাধারণ সম্পাদক শিল্পী সরকার-সহ অন্যান্য সদস্যেরা। তা ছাড়া ছিলেন, ঘাটশিলা মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান সন্দীপ চন্দ্র এবং বঙ্গ উৎসব সমিতির ঘাটশিলা শাখার সভাপতি সাধুচরণ পাল, স্থানীয় ভাদুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মুখিয়া শ্যামচাঁদ মানকি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য উমাপদ মানকি, ওয়ার্ড সদস্য সঞ্জিত কুমার পান্ডা, ঘটিডুবা গ্রামের প্রধান অমূল্য দাস, জামবাদ গ্রামের প্রধান গৌরাঙ্গ গোপ-সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে অপুর পাঠশালার শিক্ষিকা মল্লিকা দাস, সোনালী দাস ও নমিতা দাসও উপস্থিত ছিলেন। গৌরীকুঞ্জ উন্নয়ন সমিতির পক্ষ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বর্ণপরিচয় বই, খাতা, পেন্সিল, ‘হোয়াইট বোর্ড’, বসার জন্য ত্রিপল-সহ বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। তাপস বলেন, ‘‘২০১৮ সালে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঘাটশিলায় বাড়ি থেকে ‘অপুর পাঠশালা’র যাত্রা শুরু হয়েছিল। ইতিমধ্যে আমরা ঝাড়খণ্ড জুড়ে অর্ধশতাধিক পাঠশালা প্রতিষ্ঠা করেছি। সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’’ তিনি জানান, বাংলা ভাষার প্রসারের উদ্যেশ্যে গড়া এই ‘অপুর পাঠশালা’য় গ্রামের গরিব পরিবারের পড়ুয়ারা বিনামুল্যে পড়াশোনা করে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিনা বেতনে তাদের পড়ান।

Jharkhand Bengali Language
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy