Advertisement
E-Paper

দু’কোটির সেচখাল ভেঙে গেল হাতুড়ির ঘায়ে! দুর্নীতি ধরতে গুজরাতের গ্রাম পরিদর্শন বিধায়কের, চলল বুলডোজ়ার

হাতুড়ি নিজের হাতে তুলে নেন। তার পর নির্মীয়মান খালের কংক্রিটের দেওয়ালে আঘাত করেন। আর হাতুড়ির ঘা দিতেই ঝুরঝুর করে ভেঙে যায় সেটি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ মে ২০২৬ ১৩:২৩
(বাঁ দিকে) নির্মীয়মাণ সেই খাল। (ডান দিকে) জেসিবি দিয়ে উপড়ে ফেলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

(বাঁ দিকে) নির্মীয়মাণ সেই খাল। (ডান দিকে) জেসিবি দিয়ে উপড়ে ফেলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

দুর্নীতি হচ্ছে গ্রামে। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হয়েছিলেন গুজরাতের খেড়ার বিধায়ক। সেচখালে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই তা পরিদর্শনে যান তিনি। অভিযোগ উঠেছিল, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সেচখাল নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু তার জন্য দু’কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সেচখাল পরীক্ষা করার জন্য হাতুড়ি নিয়ে আসার নির্দেশ দেন বিধায়ক। হাতুড়িও নিয়ে আসা হয় তৎক্ষণাৎ। তখনও কেউ বুঝে উঠতে পারছিলেন না ঠিক কী করতে চাইছেন বিধায়ক।

হাতুড়ি নিজের হাতে তুলে নেন। তার পর নির্মীয়মাণ খালের কংক্রিটের দেওয়ালে আঘাত করেন। আর হাতুড়ির ঘা দিতেই ঝুরঝুর করে ভেঙে যায় সেটি। তা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান বিধায়ক। তিনি এই কাজের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে বলেন স্থানীয় প্রশাসনকে। গোটা ঘটনাটি তিনি শীর্ষনেতৃত্বকে জানান। তার পরই রাজ্য সরকার ওই সেচখাল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়।

চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেচখালটি নির্মাণ করা হয়েছিল দু’কোটি টাকা ব্যয়ে। স্থানীয় কৃষকেরা দীর্ঘ দিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন কৃষিকাজের জন্য একটি সেচখাল জরুরি। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে সেচখাল নির্মাণের জন্য ২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু সেচখাল নির্মাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন স্থানীয়েরা। তার পরই বিধায়ক ওই সেচখাল পরিদর্শনে যান। সেচখালের নির্মাণ নিয়ে সকলের অভিযোগ শোনেন। তার পরই খালের কংক্রিটের দেওয়াল জেসিবি দিয়ে উপড়ে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি।

Canal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy