Advertisement
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Indian Army

Indian Army: চিনের টক্কর নিতে নয়া কৌশল, বাহিনীতে মান্দারিন জানা জওয়ানদের সংখ্যা বাড়াচ্ছে সেনা

দু’দেশের বাহিনীর কোর কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনা, ফ্ল্যাগ মিটিং, বর্ডার পার্সোনেল মিটিং বা যৌথ সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

সংবাদ সংস্থা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০২২ ০৭:২৮
Share: Save:

অধিকাংশ চিনা নাগরিকের ভাষা মান্দারিনে দক্ষ হয়ে উঠতে চেষ্টার কসুর করছে না ভারতীয় সেনা। সীমান্ত-দ্বৈরথের প্রেক্ষিতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় নজরদারি বাড়ানো এবং বিভিন্ন বৈঠকে চিনা সেনার ভাবগতিক আরও স্পষ্ট ভাবে বোঝার লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে এই কৌশল। সূত্রের দাবি, চিন সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যালোচনার ভিত্তিতে ভারতীয় সেনার অফিসারদের মান্দারিনে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। মোটের উপরে বাহিনীতে মান্দারিন জানা জওয়ান-অফিসারের সংখ্যা বাড়ানোই সেনার লক্ষ্য।

Advertisement

ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার জুনিয়র কমিশনড অফিসার থেকে থেকে সিনিয়র অফিসারদের অনেকেই মান্দারিন ভাল মতো আয়ত্ত করে ফেলেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রটির দাবি। সেনার নর্দার্ন, ইস্টার্ন এবং সেন্ট্রাল কমান্ডের ভাষা-শিক্ষার স্কুলগুলিতে মান্দারিনের নানা রকম কোর্স চলছে। মান্দারিন লেখা পড়তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি টেরিটোরিয়াল আর্মিতেও মান্দারিন জানা জওয়ান-অফিসারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সম্প্রতি প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছে সেনা।

সূত্রের মতে, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই চিনা ভাষা শিখে নেওয়ার বিষয়টির কৌশলগত ভাবে যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। এর ফলে দু’দেশের বাহিনীর কোর কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনা, ফ্ল্যাগ মিটিং, বর্ডার পার্সোনেল মিটিং বা যৌথ সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। ভাষা জানা থাকলে মতের আদান-প্রদান সহজ তো হবে, উপরন্তু চিনের লাল ফৌজ যখন তাদের গতিবিধি নিয়ে কিছু জানাবে, তখন ভারতীয় অফিসারদের পক্ষে তার মর্মার্থ আরও ভাল করে বোঝা সম্ভব হবে। আবার ভারতের অফিসারেরাও চিনা পক্ষকে তাঁদের বক্তব্য স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ রণকৌশল তৈরি সহজতর হবে।

বাহিনীকে মান্দারিনে দড় করে তুলতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়, গুজরাত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিব নাদার বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতাপত্র সই করেছে সেনা। সূত্রের বক্তব্য, মধ্যপ্রদেশের পচমঢ়ীতে সেনার ট্রেনিং স্কুল এবং দিল্লির স্কুল অব ফরেন ল্যাঙ্গোয়েজেস-এ চাকরি বাড়িয়ে তাদেরও এই প্রয়াসে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেনারা আন্তর্জাতিক মানের বিদেশিতথা মান্দারিন ভাষা রপ্তকরতে পারছেন কি না, দিল্লির লাঙ্গমা স্কুল অব ল্যাঙ্গোয়েজেসের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা পরখ করেও দেখা হচ্ছে।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.