E-Paper

‘ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত’, বিচারপতির অবাক ব্যাখ্যা

গত বছরের ২৫ অগস্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অগস্টিন জর্জ মাসিহের বেঞ্চ একটি মামলা ইলাহাবাদ হাই কোর্টের কাছে ফেরায়।

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫০
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত, শারীরিক ভাবে অক্ষম। সে কারণেই দেওয়া গেল না রায়! সাধারণ কাজের সময় পার হওয়ার পরে একটি জরুরি মামলায় প্রায় তিন ঘণ্টা শুনানির পরে রায় সংরক্ষিত রাখল ইলাহাবাদ হাই কোর্টের লখনউ বেঞ্চ। আর তার কারণ হিসেবে এমন কথাই লিখলেন বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী।

ঘটনাটি ২৪ ফেব্রুয়ারির। সে দিন বিচারপতি বিদ্যার্থীর এজলাসে ৯২টি নতুন মামলা, ১০১টি পুরনো মামলা-সহ আরও বেশ কিছু মামলা তালিকাভুক্ত হয়েছিল। দিনের সাধারণ কাজের সময়ের পরে সুপ্রিম কোর্টের পাঠানো অন্য একটি মামলার শুনানি শুরু করেন তিনি। বিকাল সওয়া ৪টে নাগাদ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে শুনানি শেষ হয়। তার পরে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা না করে তা সংরক্ষিত রাখেন। নির্দেশে এর ব্যাখ্যা দিয়ে লেখেন, ‘আমি ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত এবং রায় দেওয়ার ব্যাপারে শারীরিক ভাবে অক্ষম। সে কারণে রায় সংরক্ষিত রাখা হল’।

গত বছরের ২৫ অগস্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অগস্টিন জর্জ মাসিহের বেঞ্চ একটি মামলা ইলাহাবাদ হাই কোর্টের কাছে ফেরায়। বিচারপতিরা হাই কোর্টকে অনুরোধ করেন, সেই ছ’মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি হলে ভাল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঋণ আদায় ট্রাইব্যুনালের একটি নির্দেশকে কেন্দ্র করে বিবাদ থেকে ঘটনার সূত্রপাত। এই সংক্রান্ত মামলা ইলাহাবাদ হাই কোর্টে গেলে সেটিকে ফের ট্রাইব্যুনালে ফেরত পাঠানো হয়। এর পরে ২০২৫ সালের অগস্টে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করে জানায়, হাই কোর্ট সমস্ত পক্ষের বক্তব্য না শুনেই নির্দেশ দিয়েছে। তাদের ফের মামলাটির শুনানি করা উচিত। তার পরেই তা লখনউ বেঞ্চের কাছে আসে। শীর্ষ আদালত ছ’মাসের মধ্যে মামলা শেষ করার অনুরোধ জানিয়েছিল। সেই সময়সীমা গত মঙ্গলবার শেষ হয়েছিল। সে কারণে তালিকায় না থাকা সত্ত্বেও সে দিন মামলাটি হাতে নেন বিচারপতি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Allahabad

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy