Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

জলপথে ঢুকতে পারে পাক কম্যান্ডো-জঙ্গিরা, গুজরাতের সব বন্দরে জারি সর্বোচ্চ সতর্কতা

গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের খবর, গুজরাতের কচ্ছের রণ এলাকায় জলপথে পাকিস্তান প্রশিক্ষিত জঙ্গি বা কম্যান্ডোরা ঢুকে পড়তে পারে।

সংবাদ সংস্থা
আমদাবাদ ২৯ অগস্ট ২০১৯ ১২:৫৬
Save
Something isn't right! Please refresh.
গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ

Popup Close

গুজরাতের বন্দর দিয়ে ঢুকে পড়তে পারে প্রশিক্ষিত পাক কম্যান্ডো বা জঙ্গিরা। এমনই গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে বন্দরগুলিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করল কেন্দ্র। উপকূলরক্ষী বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী-সহ নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কাণ্ডলা, মুন্দ্রা-সহ সব বন্দরেই জাহাজগুলির উপর কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। যে কোনও ধরনের অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করলেই পুলিশ বা উপকূলরক্ষী বাহিনীকে জানাতে বলা হয়েছে।

গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের খবর, গুজরাতের কচ্ছের রণ এলাকায় জলপথে পাকিস্তান প্রশিক্ষিত জঙ্গি বা কম্যান্ডোরা ঢুকে পড়তে পারে। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা চালাতে পারে বা জঙ্গি হামলাও চালাতে পারে— এমনই ‘ইনপুট’ পেয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। তার পরই রাজ্যের সব বন্দরেই কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ঠিক কোন জায়গা দিয়ে জঙ্গিরা ঢুকতে পারে, সেই নির্দিষ্ট তথ্যও হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। আদানি পোর্ট ও স্পেশাল ইকনমিক জোন (সেজ)-এর তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উপকূলরক্ষী বাহিনীর কার্যালয় থেকে তাদের জানানো হয়েছে, কচ্ছ উপসাগরের হারামি নালা বা স্যর ক্রিক খাড়ি দিয়ে জঙ্গিরা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে পারে। এই জঙ্গিরা জলের নীচে হামলা চালানোতেও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

Advertisement

সতর্কতা জারি করে উপকূল রক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য পাক জঙ্গি হানার আশঙ্কায় ‘‘নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে কোনও রকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বাহিনীকে।’’



আদানি পোর্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জারি করা বিবৃতি। সূত্র: টুইটার

আরও পড়ুন: জম্মুর ৫ জেলায় চালু হল মোবাইল পরিষেবা, কাশ্মীর যাচ্ছেন ইয়েচুরি

আরও পড়ুন: এ বার রাষ্ট্রপতি-শাসিত ব্যবস্থা? আশঙ্কা মমতার

কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে, তারও একটি গাইডলাইন দিয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। তাতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রস্তুত থাকতে এবং ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি রাখতে হবে। স্পর্শকাতর এলাকায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তল্লাশি চালাতে হবে সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা নৌকা দেখলেই। উপকূল বরাবর স্থলভাগের সমস্ত অফিস বা বাড়িতে পার্ক করা গাড়িতেও তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে চলছে ২৪ ঘণ্টা পেট্রলিং।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement