পড়াশোনায় চাপ থাকবেই। কিন্তু তাকে বোঝা মনে করা যাবে না। আর পরীক্ষা মানে নম্বরের পিছনে দৌড়়োনো নয়, কী ভাবে জীবনকে আরও সুন্দর করা যায়, সেই চেষ্টা করতে হবে। শুক্রবার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠানে এমনই পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি, অন্তর্জাল দুনিয়ায় যেন পড়ুয়ারা বেশি সময় না দেয়, সেই বার্তাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সামনেই বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা রয়েছে। তার আগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মোদী। তিনি বলেন, ‘‘দেশে ডেটা সস্তা বলে ইন্টারনেটে সময় নষ্ট কোরো না। জীবন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা দক্ষতা বৃদ্ধির উপর জোর দাও সকলে।’’ প্রধানমন্ত্রী পড়ুয়াদের পরামর্শ দিয়েছেন, পড়াশোনাকে কেউ যেন মনের বোঝা না করে। ‘পরীক্ষা পে চর্চা-২০২৬ উইথ পিএম’-এর নবম সংস্করণে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ-ও বলেন, ‘‘কোনও কাজ অর্ধসমাপ্ত রাখতে নেই। আধাশিক্ষাও জীবনকে সফল করে না।’’
কয়েক মাস আগে ৭৫তম জন্মদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা থেকে বিশ্বনেতারা তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিশোর-কিশোরীদের উদ্বুদ্ধ করতে নিজের জন্মদিনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জীবনের কত বছর কেটে গেল, তা নিয়ে তিনি ভাবেন না। হাতে আর কত বছর রয়েছে, সেটাই তাঁর কাছে বড় বিষয়। তিনি বলেন, ‘‘গত ১৭ সেপ্টেম্বর এক নেতা আমাকে বলেছিলেন, ‘আপনার বয়স ৭৫ হয়ে গেল।’ আমি জবাব দিই, ‘না, আরও ২৫ বছর আমার হাতে আছে।’’’
আরও পড়ুন:
মণিপুরের ইম্ফলের সৈনিক স্কুলের পড়ুয়া ইমোতা কে শ্যাম মোদীকে বলে, তার জীবনে প্রধানমন্ত্রীর প্রভাব বিস্তর। ছেলেবেলা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বড় অনুপ্রেরণা মনে করে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি জীবনে কত বছর ফেলে এসেছি, তা কখনও গুনে দেখি না। কত বাকি আছে, সেটা দেখি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘কখনও সময়ের অপচয় কোরো না। কী ভাবে জীবনে উন্নতি করা যায়, সেই চর্চা করো। হাতে যা আছে, তা-ই নিয়ে ভাবো।’’