Advertisement
E-Paper

যুদ্ধের পরিস্থিতিতে কী কী সতর্কতা নিতে হবে, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, বাদ ভোটমুখী পাঁচ রাজ্য

সূত্রের খবর, এই সঙ্কটময় সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা কী ভাবে বজায় রাখা যায়, রাজ্যগুলি কোনও বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে কি না, বৈঠকে সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:১২
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পশ্চিম এশিয়ার সামরিক সংঘাতের প্রায় এক মাস হতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল, গ্যাসের সরববরাহ নিয়ে দেশ কতটা প্রস্তুত তা খতিয়ে দেখতে শুক্রবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, দেশে জ্বালানি তেল, গ্যাসের সরবরাহের পরিস্থিতি কী, রাজ্যগুলি কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সমস্ত রাজ্যকে একযোগে কাজ করার বার্তাও দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এই সঙ্কটময় সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা কী ভাবে বজায় রাখা যায়, রাজ্যগুলি কোনও বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে কি না, বৈঠকে সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের পাঁচ রাজ্যে ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ওই পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের পরিবর্তে মুখ্যসচিবেরা বৈঠকে যোগ দেবেন বলে সূত্রের খবর। তবে এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ যোগ দেয় কি না, রাজনৈতিক মহলে এখন সেটা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

সূত্রের খবর, কোভিডের সময় যে ভাবে সব রাজ্য একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করেছে, এই সমঙ্কটময় পরিস্থিতিতে ‘টিম ইন্ডিয়া’ হিসাবে সব রাজ্যকে কাজ করার বার্তা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, দেশে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে এবং আপৎকালীন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সংসদের উভয় কক্ষে পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর দাবি ছিল, এখনই জ্বালানির সঙ্কট প্রকট হয়নি। তা সত্ত্বেও কেন্দ্র সরকার সতর্কতা অবলম্বন করেছে। যাতে দেশে গ্যাস, জ্বালানি তেলের অভাবে জনতার সমস্যা না হয়, তার জন্য ইথানল উৎপাদনে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। গত মঙ্গলবার রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ করতে সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে কেন্দ্র। সঙ্কটের এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার সব উৎস থেকে গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আগামী দিনগুলিতেও ধারাবাহিক ভাবে এই প্রচেষ্টা চলবে।’’ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি যে উদ্বেগজনক, বক্তৃতার শুরুতেই তা স্বীকার করে নেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ় প্রণালীর গুরুত্ব যে অপরিসীম সে কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, “হরমুজ় প্রণালী অবরুদ্ধ করে রাখা কিংবা পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানো গ্রহণযোগ্য নয়। এই সূত্রেই তিনি আশ্বাসের সুরে জানান, দেশে পেট্রল, ডিজ়েল এবং গ্যাসের জোগান সুনিশ্চিত রাখতে সব ধরনের চেষ্টা করছে কেন্দ্র।

review meeting
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy