পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর হয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশের এক মহিলার বিরুদ্ধে। মেরঠের বাসিন্দা ওই মহিলা আসলে পাকিস্তানি নাগরিক বলে অভিযোগ। সাবা ফরহাত নামে ওই অভিযুক্ত মহিলাকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এফআইআর রুজু হয়েছে তাঁর কন্যা আইমান ফরহাতের বিরুদ্ধেও।
রুকসানা নামে মেরঠের দিল্লি গেট থানা এলাকার এক বাসিন্দা সাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। সিনিয়র পুলিশ সুপার এবং অ্যাডিশনাল পুলিশ সুপারকে পাঠানো অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেন, সাবা ১৯৮৮ সালে পাকিস্তানে চলে যান। তার পরে ফরহাত মাসুদ নামে এক পাকিস্তানি নাগরিককে বিয়ে করেন। ১৯৯৩ সালে তাঁদের এক কন্যার জন্ম হয়। অভিযোগকারীর দাবি, পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানি পাসপোর্টে মেয়েকে নিয়ে ভারতে চলে আসেন সাবা। মেরঠের জালিকোঠি এলাকায় থাকতে শুরু করেন। মেয়েকে স্থানীয় এক স্কুলে ভর্তিও করানো হয়। কিন্তু সাবা এবং তাঁর মেয়ে কোনও দিনই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি বলে দাবি অভিযোগকারীর।
অভিযোগকারী পুলিশকে জানান, সাবা তাঁর মেয়ের ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরির জন্য জাল নথি বানিয়েছেন। নিজের নামেও পরিচয় বদল করে দু’টি ভিন্ন ভিন্ন নথি বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। সাবা এবং তাঁর কন্যা উভয়েই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার হয়ে কাজ করছেন বলেও পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়। রুকসানার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে সাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
মেরঠের সিনিয়র পুলিশ সুপার অবিনাশ পাণ্ডে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরে তদন্ত শুরু হয়েছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি তদন্তকারী দল তাঁদের কাছ থেকে কিছু জাল নথিপত্র উদ্ধার করে। এর পরেই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু হয়। যদিও মহিলা এবং তাঁর কন্যার বিরুদ্ধে ওঠা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগের কোনও প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে কি না, তা নির্দিষ্ট ভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ।