হরিয়ানার ফরিদাবাদের পর ফের জম্মু-কাশ্মীরে ‘ডক্টরস টেরর মডিউল’-এর হদিস পেল পুলিশ। দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর সামনে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ এবং সেই সূত্রে ফরিদাবাদের আল ফাল্হা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগসূত্র এবং ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধারের পর জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তদন্ত চলছিল। সেই তদন্ত চলাকালীন আবার সেই একই ধরনের জঙ্গি মডিউলের হদিস পেলেন তদন্তকারীরা।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, ঠিক একই রকম ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপে জড়িত সন্দেহে ১০ জনের হদিস মিলেছে। তাঁরা সকলেই উচ্চশিক্ষিত। সেই ১০ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে নওগাম থানায়। তার ভিত্তিতে একটি চার্জশিটও গঠন করা হয়েছে। ফরিদাবাদ থেকে যে ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার হয়, সেই বিস্ফোরক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, তারও তদন্ত চলছে। সূত্রের খবর, ট্রায়াসিটন ট্রাইপেরক্সাইড (টিএটিপি) নামে এক ধরনের বিস্ফোরকের হদিস মিলেছে। যে বিস্ফোরক অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই বিস্ফোরকের সঙ্গে বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে উচ্চমাত্রার বোমা তৈরি করা হয় বলে সূত্রের খবর।
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, যে পরিমাণ টিএটিপি এবং রাসায়নিক উদ্ধার হয়েছে, তা দেখে অনুমান করা হচ্ছে, দেশে বড় কোনও হামলার ছক কষা হচ্ছিল। এই ধরনের বিস্ফোরকের হদিস মেলার পর জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ হয়। তার আগে হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। সেখানে আল ফাল্হা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কয়েক জন চিকিৎসক এবং জম্মু-কাশ্মীর থেকেও কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই মামলা এখনও চলছে। তার মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরে আবার সেই একই ধরনের জঙ্গি মডিউলের হদিস মেলায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।