Advertisement
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

চলছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

কিন্তু এই সহজ ভাগাভাগির মধ্যেই ঈষৎ আলোড়ন তৈরি হয়ে রয়েছে ‘ক্রস ভোটিং’-এর জল্পনায়! বিজেপি শিবিরের একাংশের দাবি, এ রাজ্য থেকে কিছু বাড়তি ভোট কোবিন্দ পেতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ। রবিবার নয়াদিল্লিতে একটি বৈঠকে। ছবি: পিটিআই

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ। রবিবার নয়াদিল্লিতে একটি বৈঠকে। ছবি: পিটিআই

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৭ জুলাই ২০১৭ ০৪:৪৮
Share: Save:

রাজ্যের মোট ২৯৪ জন বিধায়ক। তার মধ্যে ২৮৮ জনই এক দিকে। অন্য দিকে ৬ জন। রাজ্য বিধানসভার এই সমীকরণ সামনে রেখেই আজ, সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

Advertisement

রাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ-র প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দের বাক্সে এ রাজ্য থেকে পড়ার কথা ২৩২২টি ভোট। বাংলার এক জন বিধায়কের ভোটমূল্য ১৫১। সাংসদদের ক্ষেত্রে সারা দেশেই যা ৭০৮। বিজেপি-র তিন বিধায়ক, লোকসভার দুই সাংসদ এবং সঙ্গে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তিন জন বিধায়ককে ধরলে কোবিন্দের ভোট এ রাজ্য থেকে গোনাগুনতি। আর বিরোধী জোটের প্রার্থী মীরা কুমারের পক্ষে রয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামফ্রন্ট। সহজ অঙ্কে কোবিন্দের তুলনায় দৌড়ে মীরা পিছিয়ে থাকলেও এ রাজ্যে অন্তত তাঁর পাল্লাই ভারী।

কিন্তু এই সহজ ভাগাভাগির মধ্যেই ঈষৎ আলোড়ন তৈরি হয়ে রয়েছে ‘ক্রস ভোটিং’-এর জল্পনায়! বিজেপি শিবিরের একাংশের দাবি, এ রাজ্য থেকে কিছু বাড়তি ভোট কোবিন্দ পেতে পারেন। নানা কেলেঙ্কারিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের মুখে থাকা জনাকয়েক জনপ্রতিনিধি বিজেপি-কে ‘বার্তা’ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি পদে নরেন্দ্র মোদীর প্রার্থীকে ভোট দিতে চান বলে ওই শিবিরের দাবি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যে হেতু গোপন ব্যালটে হয়, তাই কে কোন দিকে ভোট দিলেন, তা জানার উপায় নেই।

আরও পড়ুন: খাদে বাস, মৃত ১৬ অমরনাথ তীর্থযাত্রী

Advertisement

তাই এমন জল্পনার কিছু অবকাশ অন্তত খাতায়-কলমে থাকছে। যদিও অন্য কোনও দলের কোনও সূত্র থেকেই ওই দাবির কোনও সমর্থন মিলছে না। বরং, বিজেপি-রই কেউ কেউ আবার পাল্টা বলছেন, তৃণমূলের সমর্থন ছাড়াই কোবিন্দের জয় তো নিশ্চিত!

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, মোট ৫৫ জন সাংসদ বিভিন্ন বিধানসভায় ভোট দিতে চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই তৃণমূলের। ভোটদানের ফাঁকেই আজ বিধানসভায় দলীয় সাংসদদের নিয়ে বৈঠক করার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সংসদের অধিবেশনের রণকৌশলই বৈঠকের আলোচ্য। তবে ভোট-পর্ব শুরুর এক ঘণ্টা আগেই সাংসদ ও বিধায়কদের বিধানসভায় ডেকে নিয়েছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, অন্য রকম কোনও আশঙ্কা বিনাশ করতেই কি এমন তৎপরতা?

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.