দিল্লিতে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এই অনুষ্ঠানকে মোদীর ‘রাজ্যাভিষেক’ বলে মনে হচ্ছে, দাবি তাঁর।
সংসদ ভবনের উদ্বোধন নিয়ে রবিবার বেলার দিকে একটি টুইট করেছেন রাহুল। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘‘সংসদ আসলে দেশের মানুষের গলার স্বর।’’ এর পরেই মোদীকে কটাক্ষ করে তাঁর বক্তব্য, ‘‘প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনের উদ্বোধনকে রাজ্যাভিষেক ভেবেছেন।’’
রবিবার সকাল সকাল সংসদ ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন মোদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। বিরোধীরা অবশ্য এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছিল। ২০টি বিরোধী দল অনুষ্ঠানে ছিল গরহাজির। তবে তাতে অনুষ্ঠানে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি। বেদমন্ত্র পাঠ করে, পুজো এবং যজ্ঞে অংশ নিয়ে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেছেন মোদী। তিনি সর্বধর্ম প্রার্থনাতেও অংশ নেন। তার পর ১০১ তম ‘মন কি বাত’-এ ভাষণ দেন মোদী।
संसद लोगों की आवाज़ है!
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) May 28, 2023
प्रधानमंत्री संसद भवन के उद्घाटन को राज्याभिषेक समझ रहे हैं।
আরও পড়ুন:
সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করবেন, তা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল প্রথম থেকেই। বিরোধীদের দাবি ছিল, সাংবিধানিক পদমর্যাদা বলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উচিত এই উদ্বোধন করা। রাষ্ট্রপতিকে টপকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। সেই বিতর্কের জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্তও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিরোধীদের দাবি মানা হয়নি।
সংসদ ভবনের স্বর্ণদণ্ড সেঙ্গল নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি। বিজেপির দাবি, এই রাজদণ্ড আসলে ব্রিটিশদের ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক। তবে সেই তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। এই বিতর্কেও শাসক এবং বিরোধী শিবির দ্বিধাবিভক্ত।
এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার এই উদ্বোধন প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘সকালের অনুষ্ঠান আমি দেখেছি। আমি যে ওখানে যাইনি তাতে আমি খুশি। ওখানে যা যা হয়েছে, দেখে আমি চিন্তিত। আমরা কি দেশটাকে আরও পিছিয়ে দিচ্ছি? এই অনুষ্ঠান কি শুধুমাত্র কয়েক জন মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল?’’ একই ভাবে অনুষ্ঠানকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না রাহুলও।