Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৮ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

এক তৃতীয়াংশ দিল্লিবাসীর দেহে করোনা অ্যান্টিবডি! দাবি সেরো-সমীক্ষায়

শরীরে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষার নাম সেরোলজিক্যাল টেস্ট।

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ২০ অগস্ট ২০২০ ১৪:১৮
Save
Something isn't right! Please refresh.
করোনাভাইরাস প্রতিরোধী আইজি-জি অ্যান্টিবডির সন্ধান করা হয় সেরো-পরীক্ষায়— ছবি: পিটিআই।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী আইজি-জি অ্যান্টিবডির সন্ধান করা হয় সেরো-পরীক্ষায়— ছবি: পিটিআই।

Popup Close

দিল্লির বাসিন্দাদের অনেকেই নিজেদের অজান্তে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (অ্যান্টিবডি) তৈরি হওয়ায় তাঁরা সেরেও উঠছেন। দেশের রাজধানীতে সাম্প্রতিক সেরোলজিক্যাল সার্ভে (আইজি-জি পরীক্ষা)-র তথ্য বলছে, প্রায় ২৯ শতাংশ দিল্লিবাসীর দেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন ‘দ্বিতীয় সেরোলজিক্যাল সার্ভে (সেরো সার্ভে) রিপোর্ট’ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘দিল্লির ২৯.১ শতাংশ বাসিন্দার দেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডির সন্ধান মিলেছে। সে ক্ষেত্রে বলা যায় প্রায় অর্থাৎ প্রায় ৫৮ লক্ষ দিল্লিবাসীর দেহে কোভিড-১৯ প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।’’ প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির ৩৩.১ শতাংশ এবং নতুন দিল্লির ২৪.৬ শতাংশ বাসিন্দা রয়েছেন এই তালিকায়।

গত জুলাই মাসে প্রকাশিত ‘প্রথম সেরোলজিক্যাল সার্ভে রিপোর্ট’ জানিয়েছিল, দিল্লির অন্তত ২৩.৪৮ শতাংশ বাসিন্দার শরীরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্ডিবডি তৈরি হয়েছে। তাঁরা কোনও ভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে সেরেও উঠেছেন। এ বারের পরীক্ষায় দিল্লির ১১টি জেলা থেকে ১৫ হাজার বাসিন্দার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে খুন মেডিক্যাল ছাত্রী, ধৃত ডাক্তার

বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগের বিস্তার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় সেরোলজিক্যাল সার্ভের মাধ্যমে। শরীরে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষার নাম সেরোলজিক্যাল টেস্ট। অ্যান্টিবডি হল বিশেষ এক ধরনের প্রোটিন যা শরীরে কোনও জীবাণু প্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে লড়াই করে। ইমিউনোগ্লোবিউলিন-জি বা আইজি-জি নামের অ্যান্টিবডি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। রক্ত পরীক্ষা করে আইজি-জি পাওয়া গেলে বোঝা যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি আক্রান্ত হয়েছিলেন।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement